ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র আক্রমণাত্মক ধাপ সফলভাবে শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এই অভিযানের মাধ্যমে লক্ষ্য অনুযায়ী সব অর্জন সম্পন্ন হয়েছে এবং যুদ্ধের প্রথম ধাপটি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত।
সামরিক অভিযানের পর্যায় শেষ হলেও ওয়াশিংটন এখন কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনে আগ্রহী। রুবিও উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চান। বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে পুনরায় পুরোপুরি খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তবে আলোচনার এই প্রস্তাবের বিপরীতে তেহরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমঝোতার পথটি পছন্দ করলেও ইরান এখন পর্যন্ত সেই পথে আসার কোনো লক্ষণ দেখায়নি। ফলে সামরিক হামলার পর্যায়টি শেষ হলেও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে রুবিও আরও স্পষ্ট করেছেন যে, তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে হরমুজ প্রণালি সচল করা এখন ওয়াশিংটনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ইরান যদি শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে না আসে, তবে পরিস্থিতি পুনরায় ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে। সামরিক অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণার পাশাপাশি আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রাখার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এখন বল ইরানের কোর্টেই ঠেলে দিয়েছে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র আক্রমণাত্মক ধাপ সফলভাবে শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এই অভিযানের মাধ্যমে লক্ষ্য অনুযায়ী সব অর্জন সম্পন্ন হয়েছে এবং যুদ্ধের প্রথম ধাপটি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত।
সামরিক অভিযানের পর্যায় শেষ হলেও ওয়াশিংটন এখন কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনে আগ্রহী। রুবিও উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চান। বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে পুনরায় পুরোপুরি খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তবে আলোচনার এই প্রস্তাবের বিপরীতে তেহরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমঝোতার পথটি পছন্দ করলেও ইরান এখন পর্যন্ত সেই পথে আসার কোনো লক্ষণ দেখায়নি। ফলে সামরিক হামলার পর্যায়টি শেষ হলেও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে রুবিও আরও স্পষ্ট করেছেন যে, তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে হরমুজ প্রণালি সচল করা এখন ওয়াশিংটনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ইরান যদি শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে না আসে, তবে পরিস্থিতি পুনরায় ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে। সামরিক অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণার পাশাপাশি আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রাখার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এখন বল ইরানের কোর্টেই ঠেলে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন