মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে ইরাক। দেশটির নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি জানিয়েছেন, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে বিদ্যমান সংকট নিরসনে ইরাক সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি তার অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এই মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন। ইরাক সবসময় কূটনৈতিক পথ এবং আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আল-জাইদি তার বিবৃতিতে আরও জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংলাপই একমাত্র কার্যকর সমাধান হতে পারে। ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করার প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা ইরাকের রয়েছে বলে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে ইরাক যেকোনো সংকটে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে চায় বলেও প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। মূলত আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় দুই দেশের মধ্যকার বিরোধ মীমাংসাকেই এখন প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখছে বাগদাদ।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে ইরাক। দেশটির নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি জানিয়েছেন, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে বিদ্যমান সংকট নিরসনে ইরাক সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি তার অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এই মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন। ইরাক সবসময় কূটনৈতিক পথ এবং আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আল-জাইদি তার বিবৃতিতে আরও জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংলাপই একমাত্র কার্যকর সমাধান হতে পারে। ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করার প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা ইরাকের রয়েছে বলে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে ইরাক যেকোনো সংকটে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে চায় বলেও প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। মূলত আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় দুই দেশের মধ্যকার বিরোধ মীমাংসাকেই এখন প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখছে বাগদাদ।

আপনার মতামত লিখুন