দক্ষিণী সিনেমার মহাতারকা সি. জোসেফ বিজয় আজ কেবল একজন অভিনেতাই নন, বরং তামিলনাড়ুর রাজনীতিতেও এক প্রভাবশালী নাম। তার নামের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে থাকা ‘থালাপতি’ উপাধিটি নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। তামিল সিনেমার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী, শীর্ষ তারকাদের জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, যা তাদের সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে। কিংবদন্তি এম জি রামচন্দ্রনের হাত ধরে শুরু হওয়া এই প্রথা মেনেই বিজয়কে দেওয়া হয়েছে এই সম্মান।
বিজয়ের এই উপাধি পাওয়ার সফরটি শুরু হয়েছিল ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রাসিগান’ সিনেমার মাধ্যমে। তার বাবা চলচ্চিত্র নির্মাতা এস এ চন্দ্রশেখরের পরিচালনায় এটি ছিল বিজয়ের প্রথম ব্যবসায়িক সফল কাজ। এই সিনেমার মাধ্যমেই তাকে প্রথম ‘ইলাইয়া থালাপতি’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, যার অর্থ ‘তরুণ সেনাপতি’। এরপর প্রায় তিন দশক ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের আধিপত্য বজায় রেখে এই নামেই পরিচিত ছিলেন তিনি।
পরবর্তীতে ২০১৭ সালে ক্যারিয়ারের এক নতুন মোড়ে এসে উপাধি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন বিজয় ও নির্মাতা অ্যাটলি। তার অভিনীত ‘মার্শাল’ সিনেমার ফার্স্ট-লুক পোস্টারে প্রথমবারের মতো ‘ইলাইয়া’ শব্দটি বাদ দিয়ে তাকে কেবল ‘থালাপতি’ বা ‘সেনাপতি/নেতা’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। ৪৩ বছর বয়সে বিজয়ের এই পদোন্নতি ভক্তদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
সিনেমার পর্দা ছাপিয়ে বিজয়ের এই ‘নেতা’ ইমেজ এখন বাস্তবেও প্রতিফলিত হচ্ছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে তার দল ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম’ (টিভিকে) ১০৭টি আসনে জয়লাভ করে বড় সাফল্য পেয়েছে। বিজয় নিজেও পেরাম্বুর এবং তিরুচিরাপল্লি (পূর্ব) আসন থেকে জয়ী হয়েছেন। কঠোর পরিশ্রম ও সংগ্রামের মাধ্যমে আজকের এই অবস্থানে আসা বিজয় এখন রজনীকান্ত ও কমল হাসানের পর কলিউডের সবচেয়ে বড় বাজার দখলকারী তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
দক্ষিণী সিনেমার মহাতারকা সি. জোসেফ বিজয় আজ কেবল একজন অভিনেতাই নন, বরং তামিলনাড়ুর রাজনীতিতেও এক প্রভাবশালী নাম। তার নামের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে থাকা ‘থালাপতি’ উপাধিটি নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। তামিল সিনেমার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী, শীর্ষ তারকাদের জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, যা তাদের সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে। কিংবদন্তি এম জি রামচন্দ্রনের হাত ধরে শুরু হওয়া এই প্রথা মেনেই বিজয়কে দেওয়া হয়েছে এই সম্মান।
বিজয়ের এই উপাধি পাওয়ার সফরটি শুরু হয়েছিল ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রাসিগান’ সিনেমার মাধ্যমে। তার বাবা চলচ্চিত্র নির্মাতা এস এ চন্দ্রশেখরের পরিচালনায় এটি ছিল বিজয়ের প্রথম ব্যবসায়িক সফল কাজ। এই সিনেমার মাধ্যমেই তাকে প্রথম ‘ইলাইয়া থালাপতি’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, যার অর্থ ‘তরুণ সেনাপতি’। এরপর প্রায় তিন দশক ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের আধিপত্য বজায় রেখে এই নামেই পরিচিত ছিলেন তিনি।
পরবর্তীতে ২০১৭ সালে ক্যারিয়ারের এক নতুন মোড়ে এসে উপাধি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন বিজয় ও নির্মাতা অ্যাটলি। তার অভিনীত ‘মার্শাল’ সিনেমার ফার্স্ট-লুক পোস্টারে প্রথমবারের মতো ‘ইলাইয়া’ শব্দটি বাদ দিয়ে তাকে কেবল ‘থালাপতি’ বা ‘সেনাপতি/নেতা’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। ৪৩ বছর বয়সে বিজয়ের এই পদোন্নতি ভক্তদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
সিনেমার পর্দা ছাপিয়ে বিজয়ের এই ‘নেতা’ ইমেজ এখন বাস্তবেও প্রতিফলিত হচ্ছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে তার দল ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম’ (টিভিকে) ১০৭টি আসনে জয়লাভ করে বড় সাফল্য পেয়েছে। বিজয় নিজেও পেরাম্বুর এবং তিরুচিরাপল্লি (পূর্ব) আসন থেকে জয়ী হয়েছেন। কঠোর পরিশ্রম ও সংগ্রামের মাধ্যমে আজকের এই অবস্থানে আসা বিজয় এখন রজনীকান্ত ও কমল হাসানের পর কলিউডের সবচেয়ে বড় বাজার দখলকারী তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

আপনার মতামত লিখুন