সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিএফইউজে ও ডিইউজে। বুধবার এক যৌথ বার্তায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ শোকবার্তায় বেগম জেবুন্নেছাকে একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক ও মহীয়সী নারী হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, একজন আদর্শ মাতা ও শিক্ষক হিসেবে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থী ও নিজ সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন, যার অভাব অপূরণীয়।
বেগম জেবুন্নেছা বুধবার ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ১৯৪৪ সালে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করা এই মহীয়সী নারী পেশাগত জীবনে শিক্ষক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মরহুমার নামাজে জানাজা আজ বাদ আছর ময়মনসিংহের ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে গুলকিবাড়ি কবরস্থানে স্বামী মরহুম জাফর আলী সরকারের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র ও দুই কন্যাসসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিএফইউজে ও ডিইউজে। বুধবার এক যৌথ বার্তায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ শোকবার্তায় বেগম জেবুন্নেছাকে একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক ও মহীয়সী নারী হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, একজন আদর্শ মাতা ও শিক্ষক হিসেবে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থী ও নিজ সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন, যার অভাব অপূরণীয়।
বেগম জেবুন্নেছা বুধবার ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ১৯৪৪ সালে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করা এই মহীয়সী নারী পেশাগত জীবনে শিক্ষক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মরহুমার নামাজে জানাজা আজ বাদ আছর ময়মনসিংহের ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে গুলকিবাড়ি কবরস্থানে স্বামী মরহুম জাফর আলী সরকারের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র ও দুই কন্যাসসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আপনার মতামত লিখুন