তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে আবারও রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাঁর দল নিশ্চিত করতে পেরেছে কি না, তা জানতেই তাঁকে রাজভবনে তলব করা হয়েছিল। বৈঠকে বিজয় স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা বিধানসভায় আস্থা ভোটের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে প্রস্তুত। এমনকি সরকার গঠনের সুযোগ না দিলে প্রয়োজনে তাঁরা আইনি পথে হাঁটার প্রস্তুতিও রেখেছেন।
নির্বাচনে বিজয়ের দল ‘টিভিকে’ ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও ম্যাজিক ফিগার ১১৮ থেকে তারা এখনো ১০টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমানে কংগ্রেসের ৫ বিধায়কের সমর্থন পেলেও বিজেপির মতো ‘সাম্প্রদায়িক শক্তির’ সঙ্গে জোট না করার শর্ত দিয়েছে কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন পেতে সিপিআই, সিপিএম, ভিসিকে এবং পিএমকের মতো দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বিজয়ের দল। এই আলোচনা সফল হলে তাদের আসন সংখ্যা ১২২-এ পৌঁছাতে পারে।
তবে এই সমীকরণ বেশ জটিল, কারণ ভিসিকে এবং পিএমকে বর্তমানে যথাক্রমে ডিএমকে এবং এনডিএ জোটের শরিক। অন্যদিকে, এআইএডিএমকের সঙ্গে সমঝোতার গুঞ্জন থাকলেও দলটির শীর্ষ নেতারা তা অস্বীকার করেছেন। যদিও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, এআইএডিএমকের প্রায় এক ডজন বিধায়ক বিজয়ের প্রতি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন এবং তাঁদের বর্তমানে পুদুচেরির একটি রিসোর্টে রাখা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, যদি বিজয় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ১১৮টি আসনের সমর্থন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হন, তবে রাজ্যপাল নতুন বিধানসভা স্থগিত করে রাষ্ট্রপতি শাসনের (প্রেসিডেন্টস রুল) সুপারিশ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তামিলনাড়ুতে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। বর্তমানে রাজনৈতিক ঘোড়া কেনাবেচা এড়াতে টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ককে মামল্লাপুরমের একটি রিসোর্টে রাখা হয়েছে। রাজনীতিতে নতুন হয়েও বিজয় যেভাবে ক্ষমতার অঙ্ক মেলাচ্ছেন, তা এখন পুরো ভারতের আলোচনার বিষয়।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে আবারও রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাঁর দল নিশ্চিত করতে পেরেছে কি না, তা জানতেই তাঁকে রাজভবনে তলব করা হয়েছিল। বৈঠকে বিজয় স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা বিধানসভায় আস্থা ভোটের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে প্রস্তুত। এমনকি সরকার গঠনের সুযোগ না দিলে প্রয়োজনে তাঁরা আইনি পথে হাঁটার প্রস্তুতিও রেখেছেন।
নির্বাচনে বিজয়ের দল ‘টিভিকে’ ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও ম্যাজিক ফিগার ১১৮ থেকে তারা এখনো ১০টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমানে কংগ্রেসের ৫ বিধায়কের সমর্থন পেলেও বিজেপির মতো ‘সাম্প্রদায়িক শক্তির’ সঙ্গে জোট না করার শর্ত দিয়েছে কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন পেতে সিপিআই, সিপিএম, ভিসিকে এবং পিএমকের মতো দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বিজয়ের দল। এই আলোচনা সফল হলে তাদের আসন সংখ্যা ১২২-এ পৌঁছাতে পারে।
তবে এই সমীকরণ বেশ জটিল, কারণ ভিসিকে এবং পিএমকে বর্তমানে যথাক্রমে ডিএমকে এবং এনডিএ জোটের শরিক। অন্যদিকে, এআইএডিএমকের সঙ্গে সমঝোতার গুঞ্জন থাকলেও দলটির শীর্ষ নেতারা তা অস্বীকার করেছেন। যদিও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, এআইএডিএমকের প্রায় এক ডজন বিধায়ক বিজয়ের প্রতি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন এবং তাঁদের বর্তমানে পুদুচেরির একটি রিসোর্টে রাখা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, যদি বিজয় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ১১৮টি আসনের সমর্থন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হন, তবে রাজ্যপাল নতুন বিধানসভা স্থগিত করে রাষ্ট্রপতি শাসনের (প্রেসিডেন্টস রুল) সুপারিশ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তামিলনাড়ুতে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। বর্তমানে রাজনৈতিক ঘোড়া কেনাবেচা এড়াতে টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ককে মামল্লাপুরমের একটি রিসোর্টে রাখা হয়েছে। রাজনীতিতে নতুন হয়েও বিজয় যেভাবে ক্ষমতার অঙ্ক মেলাচ্ছেন, তা এখন পুরো ভারতের আলোচনার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন