নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুর পায়ুপথে উচ্চগতিতে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যার এক বর্বরোচিত অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকালে উপজেলার গজারিয়া বাজারের একটি অটোরিকশা গ্যারেজে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম রামিম, সে গজারিয়া চরকারারদী গ্রামের ব্যবসায়ী রিপন মিয়ার ছেলে।
ঘটনার বিবরণ: স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে রামিম গজারিয়া বাজারে তার দাদার দোকানে গিয়েছিল। একপর্যায়ে সে ফয়সাল মিয়ার মালিকানাধীন একটি অটোরিকশা গ্যারেজে গেলে, সেখানে থাকা রিকশাচালক সবুজ মিয়া দুষ্টুমির ছলে চাকার হাওয়া দেওয়ার মেশিনের মাধ্যমে রামিমের পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এতে শিশুটির পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং সে যন্ত্রণায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
চিকিৎসা ও মৃত্যু: আশঙ্কাজনক অবস্থায় রামিমকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়। বিকেলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
আইনি পদক্ষেপ: পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত সবুজ মিয়াকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এই জঘন্য কাজের জন্য দায়ী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুর পায়ুপথে উচ্চগতিতে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যার এক বর্বরোচিত অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকালে উপজেলার গজারিয়া বাজারের একটি অটোরিকশা গ্যারেজে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম রামিম, সে গজারিয়া চরকারারদী গ্রামের ব্যবসায়ী রিপন মিয়ার ছেলে।
ঘটনার বিবরণ: স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে রামিম গজারিয়া বাজারে তার দাদার দোকানে গিয়েছিল। একপর্যায়ে সে ফয়সাল মিয়ার মালিকানাধীন একটি অটোরিকশা গ্যারেজে গেলে, সেখানে থাকা রিকশাচালক সবুজ মিয়া দুষ্টুমির ছলে চাকার হাওয়া দেওয়ার মেশিনের মাধ্যমে রামিমের পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এতে শিশুটির পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং সে যন্ত্রণায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
চিকিৎসা ও মৃত্যু: আশঙ্কাজনক অবস্থায় রামিমকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়। বিকেলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
আইনি পদক্ষেপ: পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত সবুজ মিয়াকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এই জঘন্য কাজের জন্য দায়ী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন