জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলাম এবং তাঁর স্বামী আকতার হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম এই নথি জব্দের আবেদন জানিয়েছিলেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি এবং স্বামী-সন্তান ও তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের আশঙ্কা, অবৈধ আয়ের মাধ্যমে এই দম্পতি ও তাঁদের ছেলে প্রতীক তাসদিক হোসেনের নামে বিভিন্ন স্থানে কৃষি জমি, ফ্ল্যাট ও প্লট কেনা হয়েছে এবং সেই সম্পদ তাঁরা গোপন করার চেষ্টা করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁদের আয়কর সংক্রান্ত মূল তথ্যাদি যাচাই ও জব্দ করা প্রয়োজন।
এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই আদালত ফারজানা ইসলাম, তাঁর স্বামী এবং ছেলের দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির এই অভিযোগের বিষয়টি বর্তমানে দুদকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলাম এবং তাঁর স্বামী আকতার হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম এই নথি জব্দের আবেদন জানিয়েছিলেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি এবং স্বামী-সন্তান ও তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের আশঙ্কা, অবৈধ আয়ের মাধ্যমে এই দম্পতি ও তাঁদের ছেলে প্রতীক তাসদিক হোসেনের নামে বিভিন্ন স্থানে কৃষি জমি, ফ্ল্যাট ও প্লট কেনা হয়েছে এবং সেই সম্পদ তাঁরা গোপন করার চেষ্টা করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁদের আয়কর সংক্রান্ত মূল তথ্যাদি যাচাই ও জব্দ করা প্রয়োজন।
এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই আদালত ফারজানা ইসলাম, তাঁর স্বামী এবং ছেলের দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির এই অভিযোগের বিষয়টি বর্তমানে দুদকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন