দেশের শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তন ও মানোন্নয়নে মোট জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ইউনিসেফ আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে বলেন, বিগত সময়ে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ কখনোই জিডিপির দেড় শতাংশের বেশি হয়নি। এছাড়া ডিজিটাল ক্লাসরুম গড়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবে গত সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল ক্লাসরুম’ তৈরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. মাহদী আমিন। তিনি শিক্ষার গুণগত মান ও কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে দেশের মেধাবী তরুণরা এই পেশাকেই তাদের প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেয়। দক্ষ মানবপুঁজি তৈরিতে শিক্ষার এই ব্যাপক বিনিয়োগ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
দেশের শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তন ও মানোন্নয়নে মোট জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ইউনিসেফ আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে বলেন, বিগত সময়ে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ কখনোই জিডিপির দেড় শতাংশের বেশি হয়নি। এছাড়া ডিজিটাল ক্লাসরুম গড়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবে গত সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল ক্লাসরুম’ তৈরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. মাহদী আমিন। তিনি শিক্ষার গুণগত মান ও কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে দেশের মেধাবী তরুণরা এই পেশাকেই তাদের প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেয়। দক্ষ মানবপুঁজি তৈরিতে শিক্ষার এই ব্যাপক বিনিয়োগ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন