ভারতের বিহারের সহরসা জেলায় স্কুলের মধ্যাহ্নভোজের (মিড-ডে মিল) খাবারে মৃত সাপের বাচ্চা পাওয়াকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার মহিষী ব্লকের বালুয়াহা মিডল স্কুলে খাবার খাওয়ার সময় এক শিক্ষার্থীর থালায় সাপের বাচ্চাটি প্রথম নজরে আসে। ততক্ষণে অনেক শিশু খাবার খেয়ে নেওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং একে একে ১৫০ জনেরও বেশি শিশু পেটে ব্যথা ও বমির উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
অসুস্থ শিশুদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর জেলা প্রশাসক (ডিএম) একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকায় খাবার সরবরাহকারী এনজিও-র রান্নার পরিবেশ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিড-ডে মিল প্রকল্পের খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশিকাগুলো নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, শিশুদের খাবার দেওয়ার আগে একজন শিক্ষক ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যের সেই খাবার চেখে দেখা এবং গুণগত মান পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া রান্না ও পরিবেশনের সময় নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার স্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও এই ক্ষেত্রে তার চরম লঙ্ঘন দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার সরঞ্জাম পরিষ্কার রাখা, রান্নার আগে শস্য ও সবজি ভালোভাবে ধোয়া এবং রান্নাঘরে পোকামাকড় রোধে তারের জালি ব্যবহারের মতো সাধারণ সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলো মানলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে অসুস্থ শিশুদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
ভারতের বিহারের সহরসা জেলায় স্কুলের মধ্যাহ্নভোজের (মিড-ডে মিল) খাবারে মৃত সাপের বাচ্চা পাওয়াকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার মহিষী ব্লকের বালুয়াহা মিডল স্কুলে খাবার খাওয়ার সময় এক শিক্ষার্থীর থালায় সাপের বাচ্চাটি প্রথম নজরে আসে। ততক্ষণে অনেক শিশু খাবার খেয়ে নেওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং একে একে ১৫০ জনেরও বেশি শিশু পেটে ব্যথা ও বমির উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
অসুস্থ শিশুদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর জেলা প্রশাসক (ডিএম) একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকায় খাবার সরবরাহকারী এনজিও-র রান্নার পরিবেশ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিড-ডে মিল প্রকল্পের খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশিকাগুলো নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, শিশুদের খাবার দেওয়ার আগে একজন শিক্ষক ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যের সেই খাবার চেখে দেখা এবং গুণগত মান পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া রান্না ও পরিবেশনের সময় নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার স্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও এই ক্ষেত্রে তার চরম লঙ্ঘন দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার সরঞ্জাম পরিষ্কার রাখা, রান্নার আগে শস্য ও সবজি ভালোভাবে ধোয়া এবং রান্নাঘরে পোকামাকড় রোধে তারের জালি ব্যবহারের মতো সাধারণ সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলো মানলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে অসুস্থ শিশুদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন