পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের নির্দেশনায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে সীমান্তজুড়ে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী সম্ভাব্য অস্থিরতা এড়াতে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অবৈধ পারাপার ঠেকাতে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সীমান্ত প্রহরা নিশ্চিত করছে বাহিনীটি।
সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিজিবি জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত আছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সীমান্তের এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের নির্দেশনায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে সীমান্তজুড়ে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী সম্ভাব্য অস্থিরতা এড়াতে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অবৈধ পারাপার ঠেকাতে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সীমান্ত প্রহরা নিশ্চিত করছে বাহিনীটি।
সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিজিবি জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত আছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সীমান্তের এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন