ঢাকা নিউজ

আগামী ৩ বছরে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার চেহারাই বদলে যাবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ



আগামী ৩ বছরে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার চেহারাই বদলে যাবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
ছবি : সংগৃহীত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। এর ফলে অভিভাবকরা বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন ছেড়ে স্বতস্ফূর্তভাবে সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবেন। সোমবার (১১ মে) বান্দরবানের রেইচা পিটিআই ট্রেনিং সেন্টারে শিক্ষকদের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে ‘আর্লি লার্নিং স্পেশালিস্ট’ বা দক্ষ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তিনি স্বীকার করেন যে, মান কমে যাওয়ায় গত কয়েক বছরে অনেক শিক্ষার্থী কিন্ডারগার্টেন বা মাদ্রাসামুখী হয়েছে। তবে বর্তমানে চলমান সংস্কার কার্যক্রম সফল হলে এই চিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সারা দেশে ‘প্রক্সি শিক্ষক’ বা বদলি শিক্ষক প্রথা বন্ধ করতে সরকার ‘আইপিএসএমএস’ (IPSMES) ব্যবস্থা চালু করছে। এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের সময় এবং পাঠদানের স্থায়িত্ব সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও সংরক্ষণ করা হবে। ফলে ভবিষ্যতে প্রক্সি শিক্ষকতার আর কোনো সুযোগ থাকবে না।

পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, পাহাড়ি এলাকার বিশেষ চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সেখানে প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলামসহ পিটিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


আগামী ৩ বছরে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার চেহারাই বদলে যাবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। এর ফলে অভিভাবকরা বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন ছেড়ে স্বতস্ফূর্তভাবে সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবেন। সোমবার (১১ মে) বান্দরবানের রেইচা পিটিআই ট্রেনিং সেন্টারে শিক্ষকদের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে ‘আর্লি লার্নিং স্পেশালিস্ট’ বা দক্ষ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তিনি স্বীকার করেন যে, মান কমে যাওয়ায় গত কয়েক বছরে অনেক শিক্ষার্থী কিন্ডারগার্টেন বা মাদ্রাসামুখী হয়েছে। তবে বর্তমানে চলমান সংস্কার কার্যক্রম সফল হলে এই চিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সারা দেশে ‘প্রক্সি শিক্ষক’ বা বদলি শিক্ষক প্রথা বন্ধ করতে সরকার ‘আইপিএসএমএস’ (IPSMES) ব্যবস্থা চালু করছে। এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের সময় এবং পাঠদানের স্থায়িত্ব সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও সংরক্ষণ করা হবে। ফলে ভবিষ্যতে প্রক্সি শিক্ষকতার আর কোনো সুযোগ থাকবে না।

পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, পাহাড়ি এলাকার বিশেষ চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সেখানে প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলামসহ পিটিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ