বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষকদের টানা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে সাধারণ শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। সোমবার (১১ মে) থেকে শুরু হওয়া এই কঠোর আন্দোলনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি নীতিমালা বাস্তবায়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমের অপসারণের এক দফা দাবিতে শিক্ষকরা এই আন্দোলনে নেমেছেন।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকেই শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেছেন। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে প্রশাসনিক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে তিনজন শিক্ষক এরই মধ্যে পদত্যাগ করেছেন। আন্দোলনরত শিক্ষকরা বর্তমান উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেছেন এবং তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এর আগে গত ২১ এপ্রিল থেকে শিক্ষকরা অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনারের মধ্যস্থতায় আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ফলপ্রসূ কোনো সমাধান আনতে পারেনি। শিক্ষকদের অভিযোগ, ন্যায্য পদোন্নতি হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাতে তা আটকে রাখছে। এই চলমান সংকটের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেমন শিক্ষা ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি গোটা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষকদের টানা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে সাধারণ শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। সোমবার (১১ মে) থেকে শুরু হওয়া এই কঠোর আন্দোলনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি নীতিমালা বাস্তবায়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমের অপসারণের এক দফা দাবিতে শিক্ষকরা এই আন্দোলনে নেমেছেন।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকেই শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেছেন। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে প্রশাসনিক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে তিনজন শিক্ষক এরই মধ্যে পদত্যাগ করেছেন। আন্দোলনরত শিক্ষকরা বর্তমান উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেছেন এবং তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এর আগে গত ২১ এপ্রিল থেকে শিক্ষকরা অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনারের মধ্যস্থতায় আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ফলপ্রসূ কোনো সমাধান আনতে পারেনি। শিক্ষকদের অভিযোগ, ন্যায্য পদোন্নতি হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাতে তা আটকে রাখছে। এই চলমান সংকটের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেমন শিক্ষা ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি গোটা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন