প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পেতে সাশ্রয়ী মূল্যে পুরোনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড এসি কেনার প্রবণতা বাড়লেও সামান্য অসাবধানতায় ঘটতে পারে বড় ধরনের বিস্ফোরণ। পুরোনো এসির যন্ত্রাংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া এবং দুর্বল কম্প্রেসার দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠা এই বিপদের অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়া অদক্ষ মেকানিক দিয়ে ভুল পদ্ধতিতে নিম্নমানের গ্যাস রিফিল করলে অভ্যন্তরীণ চাপ বেড়ে গিয়ে যন্ত্রটি বিস্ফোরিত হতে পারে।
বৈদ্যুতিক গোলযোগ ও শর্ট সার্কিট পুরোনো এসির ক্ষেত্রে একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখা দেয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে অভ্যন্তরীণ তারের ইনসুলেশন নষ্ট হওয়া কিংবা নোংরা ফিল্টার ও কপার কয়েলে ধুলোবালি জমে মেশিনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। এসব কারণে যে কোনো সময় অগ্নিকাণ্ড ঘটার সম্ভাবনা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
এসি থেকে পোড়া গন্ধ বের হওয়া, অস্বাভাবিক বিকট শব্দ, ঘন ঘন এমসিবি ট্রিপ করা কিংবা ঘর ঠান্ডা না হয়ে এসির বডি অতিরিক্ত গরম হওয়া বিপদের আগাম লক্ষণ। এছাড়া গ্যাস লিকের হিশহিশ শব্দ বা কোনো অদ্ভুত গন্ধ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যান্ত্রিক এসব ত্রুটি অবহেলা করলে তা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
বিস্ফোরণ এড়াতে দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে নিয়মিত সার্ভিসিং এবং মানসম্মত যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা একান্ত প্রয়োজন। ভোল্টেজের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে উন্নত মানের স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করার পাশাপাশি একটানা দীর্ঘক্ষণ এসি না চালিয়ে মাঝে মাঝে বিশ্রাম দেওয়া উচিত। প্রতি মাসে ফিল্টার পরিষ্কার রাখা এবং বৈদ্যুতিক সংযোগগুলো নিয়মিত পরীক্ষা করার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পেতে সাশ্রয়ী মূল্যে পুরোনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড এসি কেনার প্রবণতা বাড়লেও সামান্য অসাবধানতায় ঘটতে পারে বড় ধরনের বিস্ফোরণ। পুরোনো এসির যন্ত্রাংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া এবং দুর্বল কম্প্রেসার দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠা এই বিপদের অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়া অদক্ষ মেকানিক দিয়ে ভুল পদ্ধতিতে নিম্নমানের গ্যাস রিফিল করলে অভ্যন্তরীণ চাপ বেড়ে গিয়ে যন্ত্রটি বিস্ফোরিত হতে পারে।
বৈদ্যুতিক গোলযোগ ও শর্ট সার্কিট পুরোনো এসির ক্ষেত্রে একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখা দেয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে অভ্যন্তরীণ তারের ইনসুলেশন নষ্ট হওয়া কিংবা নোংরা ফিল্টার ও কপার কয়েলে ধুলোবালি জমে মেশিনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। এসব কারণে যে কোনো সময় অগ্নিকাণ্ড ঘটার সম্ভাবনা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
এসি থেকে পোড়া গন্ধ বের হওয়া, অস্বাভাবিক বিকট শব্দ, ঘন ঘন এমসিবি ট্রিপ করা কিংবা ঘর ঠান্ডা না হয়ে এসির বডি অতিরিক্ত গরম হওয়া বিপদের আগাম লক্ষণ। এছাড়া গ্যাস লিকের হিশহিশ শব্দ বা কোনো অদ্ভুত গন্ধ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যান্ত্রিক এসব ত্রুটি অবহেলা করলে তা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
বিস্ফোরণ এড়াতে দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে নিয়মিত সার্ভিসিং এবং মানসম্মত যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা একান্ত প্রয়োজন। ভোল্টেজের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে উন্নত মানের স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করার পাশাপাশি একটানা দীর্ঘক্ষণ এসি না চালিয়ে মাঝে মাঝে বিশ্রাম দেওয়া উচিত। প্রতি মাসে ফিল্টার পরিষ্কার রাখা এবং বৈদ্যুতিক সংযোগগুলো নিয়মিত পরীক্ষা করার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন