ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতা সুজিত শীলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিশেষ দায়রা জজ আদালত। বুধবার দুপুরে আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর রাতে হালুয়াঘাটের কৈচাপুর বোর্ডবাজার এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে সুজিত শীল তার স্ত্রী ইতি রানী শীলকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন। এসময় পাশের কক্ষে থাকা শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানী বাধা দিতে এলে আসামি তাকেও দা ও ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেন।
ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে জ্যোৎস্না রানীর মৃত্যু হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ে সন্ধ্যা রানী শীল বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা করে আদালত এই রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ৪২ বছর বয়সী সুজিত শীল দীর্ঘ দিন ধরে ওই পরিবারের সঙ্গে বিরোধে লিপ্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। আদালতের এই রায়ের সময় সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতা সুজিত শীলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিশেষ দায়রা জজ আদালত। বুধবার দুপুরে আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর রাতে হালুয়াঘাটের কৈচাপুর বোর্ডবাজার এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে সুজিত শীল তার স্ত্রী ইতি রানী শীলকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন। এসময় পাশের কক্ষে থাকা শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানী বাধা দিতে এলে আসামি তাকেও দা ও ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেন।
ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে জ্যোৎস্না রানীর মৃত্যু হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ে সন্ধ্যা রানী শীল বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা করে আদালত এই রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ৪২ বছর বয়সী সুজিত শীল দীর্ঘ দিন ধরে ওই পরিবারের সঙ্গে বিরোধে লিপ্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। আদালতের এই রায়ের সময় সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন