আসন্ন কুরবানির ঈদ ঘিরে স্থায়ী পশুর হাটের পাশাপাশি খামারগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠেছে এবং চলতি বছর কুমিল্লার পশুর বাজারে নজর কাড়ছে রাজস্থানি উট ‘সুলতান’। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানাধীন সিটি কর্পোরেশন ২০নং ওয়ার্ডের লক্ষীপুর এলাকার একটি এগ্রো ফার্মে এই উটটির দেখা মিলেছে, যা প্রায় দুই মাস আগে রাজস্থান থেকে এনেছেন ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ। ব্যতিক্রমী এই সংযোজন ইতোমধ্যেই কুমিল্লাজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
সুলতানকে দেখতে প্রতিদিন উৎসুক মানুষ খামারে ভিড় জমাচ্ছেন এবং বিশেষ করে শহর ও আশপাশের গ্রামের যুবক, শিশু ও কিশোরদের মধ্যে বিশাল আকৃতির এই উটকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আগত দর্শনার্থীরা মরুভূমির জাহাজ খ্যাত উটের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন।
খামারের মালিক জুয়েল আহমেদ জানান, প্রায় দুই মাস আগে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে ভারতের রাজস্থান থেকে তিনি এই উটটি সংগ্রহ করেছেন এবং বর্তমানে ছয় বছর বয়সি এই উটটির নাম তার ছেলের পছন্দের সঙ্গে মিল রেখে ‘সুলতান’ রাখা হয়েছে। পশুর হাটে ভিন্নতা আনতেই তিনি উটটি সংগ্রহ করেছেন এবং বর্তমানে সুলতানের দাম চাওয়া হচ্ছে ৩২ লাখ টাকা। অনেক ক্রেতা এলেও কুরবানির ঈদের কিছুদিন বাকি থাকায় এখনও দাম চূড়ান্ত হয়নি, তবে কাঙ্ক্ষিত দাম পেলে শিগগিরই এটি বিক্রি করবেন এবং আগামীতে নগরীর নেউরা পশুর হাটে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তার। সুলতান বেশ শান্ত স্বভাবের, বালু পেলে সেখানে শুয়ে থাকতে পছন্দ করে এবং ঘাস ও খড় খেলেও কাঁটাযুক্ত খাবার তার বেশি প্রিয়।
স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লার পশুর হাটে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আগে খুব কমই দেখা গেছে এবং এর ফলে ‘সুলতান’ এখন হাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মাহে আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, উট এ দেশের স্থানীয় প্রাণী না হলেও কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হবে।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
আসন্ন কুরবানির ঈদ ঘিরে স্থায়ী পশুর হাটের পাশাপাশি খামারগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠেছে এবং চলতি বছর কুমিল্লার পশুর বাজারে নজর কাড়ছে রাজস্থানি উট ‘সুলতান’। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানাধীন সিটি কর্পোরেশন ২০নং ওয়ার্ডের লক্ষীপুর এলাকার একটি এগ্রো ফার্মে এই উটটির দেখা মিলেছে, যা প্রায় দুই মাস আগে রাজস্থান থেকে এনেছেন ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ। ব্যতিক্রমী এই সংযোজন ইতোমধ্যেই কুমিল্লাজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
সুলতানকে দেখতে প্রতিদিন উৎসুক মানুষ খামারে ভিড় জমাচ্ছেন এবং বিশেষ করে শহর ও আশপাশের গ্রামের যুবক, শিশু ও কিশোরদের মধ্যে বিশাল আকৃতির এই উটকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আগত দর্শনার্থীরা মরুভূমির জাহাজ খ্যাত উটের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন।
খামারের মালিক জুয়েল আহমেদ জানান, প্রায় দুই মাস আগে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে ভারতের রাজস্থান থেকে তিনি এই উটটি সংগ্রহ করেছেন এবং বর্তমানে ছয় বছর বয়সি এই উটটির নাম তার ছেলের পছন্দের সঙ্গে মিল রেখে ‘সুলতান’ রাখা হয়েছে। পশুর হাটে ভিন্নতা আনতেই তিনি উটটি সংগ্রহ করেছেন এবং বর্তমানে সুলতানের দাম চাওয়া হচ্ছে ৩২ লাখ টাকা। অনেক ক্রেতা এলেও কুরবানির ঈদের কিছুদিন বাকি থাকায় এখনও দাম চূড়ান্ত হয়নি, তবে কাঙ্ক্ষিত দাম পেলে শিগগিরই এটি বিক্রি করবেন এবং আগামীতে নগরীর নেউরা পশুর হাটে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তার। সুলতান বেশ শান্ত স্বভাবের, বালু পেলে সেখানে শুয়ে থাকতে পছন্দ করে এবং ঘাস ও খড় খেলেও কাঁটাযুক্ত খাবার তার বেশি প্রিয়।
স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লার পশুর হাটে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আগে খুব কমই দেখা গেছে এবং এর ফলে ‘সুলতান’ এখন হাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মাহে আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, উট এ দেশের স্থানীয় প্রাণী না হলেও কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন