মাথার সামনের চুলের স্টাইল ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমারের মতো হওয়ায় শখ করে একটি ষাঁড়ের নাম রাখা হয়েছে ‘নেইমার’। যশোরের অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের ডাঙ্গামশিয়াহাটি গ্রামের খামারি নিরঞ্জন পাঁড়ের ছেলে দেবু পাঁড়ে সাড়ে তিন বছর ধরে যত্ন ও ভালোবাসায় ষাঁড়টিকে লালন-পালন করেছেন। ফেলেক্সভি জাতের প্রায় এক হাজার ৩০০ কেজি ওজনের এবং সাড়ে পাঁচ ফুট উচ্চতার এই বিশাল আকৃতির ষাঁড়টির দাম বর্তমানে ১২ লাখ টাকা হাঁকা হচ্ছে, তবে ক্রেতাদের জন্য দরদামের সুযোগ রয়েছে। শান্ত স্বভাব, সুউচ্চ দেহ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে বড় হওয়া এই ষাঁড়টি অন্য গরুর তুলনায় সহজেই আলাদা করে নজর কাড়ছে।
খামারি নিরঞ্জন পাঁড়ে জানান, কোনো ধরনের ইনজেকশন বা ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে মোটাতাজা করা হয়েছে এবং কুরবানির আগমুহূর্তে তারা পছন্দমতো ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন। ষাঁড়টিকে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ৫০০ টাকার খাবার খাওয়ানো হয়, যার খাদ্যতালিকায় রয়েছে খৈল, ভুসি, খড়, ভুট্টার গুঁড়া, দেশি সবুজ ঘাস এবং পরিমাণমতো চালের খুদ দিয়ে রান্না করা ভাত। অভয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তহীদুল ইসলাম ইতোমধ্যে দুইবার ষাঁড়টি পরিদর্শন করে নিশ্চিত করেছেন যে, এটি সম্পূর্ণ খোলা পরিবেশে এবং প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে বড় করা হয়েছে।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
মাথার সামনের চুলের স্টাইল ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমারের মতো হওয়ায় শখ করে একটি ষাঁড়ের নাম রাখা হয়েছে ‘নেইমার’। যশোরের অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের ডাঙ্গামশিয়াহাটি গ্রামের খামারি নিরঞ্জন পাঁড়ের ছেলে দেবু পাঁড়ে সাড়ে তিন বছর ধরে যত্ন ও ভালোবাসায় ষাঁড়টিকে লালন-পালন করেছেন। ফেলেক্সভি জাতের প্রায় এক হাজার ৩০০ কেজি ওজনের এবং সাড়ে পাঁচ ফুট উচ্চতার এই বিশাল আকৃতির ষাঁড়টির দাম বর্তমানে ১২ লাখ টাকা হাঁকা হচ্ছে, তবে ক্রেতাদের জন্য দরদামের সুযোগ রয়েছে। শান্ত স্বভাব, সুউচ্চ দেহ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে বড় হওয়া এই ষাঁড়টি অন্য গরুর তুলনায় সহজেই আলাদা করে নজর কাড়ছে।
খামারি নিরঞ্জন পাঁড়ে জানান, কোনো ধরনের ইনজেকশন বা ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে মোটাতাজা করা হয়েছে এবং কুরবানির আগমুহূর্তে তারা পছন্দমতো ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন। ষাঁড়টিকে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ৫০০ টাকার খাবার খাওয়ানো হয়, যার খাদ্যতালিকায় রয়েছে খৈল, ভুসি, খড়, ভুট্টার গুঁড়া, দেশি সবুজ ঘাস এবং পরিমাণমতো চালের খুদ দিয়ে রান্না করা ভাত। অভয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তহীদুল ইসলাম ইতোমধ্যে দুইবার ষাঁড়টি পরিদর্শন করে নিশ্চিত করেছেন যে, এটি সম্পূর্ণ খোলা পরিবেশে এবং প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে বড় করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন