রাজশাহীর কেঁদুর মোড় এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই দল মাদককারবারির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানা এলাকার কেঁদুর মোড়ে ঘটা এই সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে এলাকার পঞ্চবটি এবং খড়বোনা মহল্লার দুই দল মাদককারবারির মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে রাতে উভয়পক্ষের সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পরস্পরের ওপর হামলা ও ধাওয়া পালটা ধাওয়ায় লিপ্ত হয় এবং এই সংঘর্ষ গভীর রাত পর্যন্ত চলে।
সংঘর্ষে একপক্ষে খড়বোনা এলাকার মিঠুনের ছেলে মাদককারবারি শিমুল এবং অন্যপক্ষে হালিমের ছেলে মারুফ নেতৃত্ব দেন। এই দুইজন ছাড়াও আলামিন নামের আরেক যুবক সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরএমপির মুখপাত্র উপকমিশনার গাজিউর রহমান জানান, আহত তিনজন রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঠিক কী কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে তা স্পষ্ট না হলেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুলিশ এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। তবে সোমবার দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
রাজশাহীর কেঁদুর মোড় এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই দল মাদককারবারির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানা এলাকার কেঁদুর মোড়ে ঘটা এই সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে এলাকার পঞ্চবটি এবং খড়বোনা মহল্লার দুই দল মাদককারবারির মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে রাতে উভয়পক্ষের সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পরস্পরের ওপর হামলা ও ধাওয়া পালটা ধাওয়ায় লিপ্ত হয় এবং এই সংঘর্ষ গভীর রাত পর্যন্ত চলে।
সংঘর্ষে একপক্ষে খড়বোনা এলাকার মিঠুনের ছেলে মাদককারবারি শিমুল এবং অন্যপক্ষে হালিমের ছেলে মারুফ নেতৃত্ব দেন। এই দুইজন ছাড়াও আলামিন নামের আরেক যুবক সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরএমপির মুখপাত্র উপকমিশনার গাজিউর রহমান জানান, আহত তিনজন রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঠিক কী কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে তা স্পষ্ট না হলেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুলিশ এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। তবে সোমবার দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

আপনার মতামত লিখুন