সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইনের’ অভিযোগের প্রতিবাদে সীমান্ত সফরের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকালে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। পোস্টে তিনি জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্থানীয় বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণই এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।
ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, ইনশাআল্লাহ আগামীকাল বুধবার (৩ জুন) যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পরিদর্শনে যাবেন। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ (পুশ-ইন) করানোর অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে সরেজমিন অবগত হওয়ার চেষ্টা করবেন। এ উপলক্ষে স্থানীয় গ্রামবাসী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের प्रतिनिधियों সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে যেকোনো সীমান্ত-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত—এটাই তাদের প্রত্যাশা।
ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার (৩ জুন) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে তিনি বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছবেন। এরপর ১১টা ৪৫ মিনিটে সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। পরে দুপুর ১টায় বেনাপোলের পর্যটন হোটেলের লবিতে একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইনের’ অভিযোগের প্রতিবাদে সীমান্ত সফরের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকালে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। পোস্টে তিনি জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্থানীয় বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণই এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।
ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, ইনশাআল্লাহ আগামীকাল বুধবার (৩ জুন) যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পরিদর্শনে যাবেন। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ (পুশ-ইন) করানোর অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে সরেজমিন অবগত হওয়ার চেষ্টা করবেন। এ উপলক্ষে স্থানীয় গ্রামবাসী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের प्रतिनिधियों সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে যেকোনো সীমান্ত-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত—এটাই তাদের প্রত্যাশা।
ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার (৩ জুন) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে তিনি বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছবেন। এরপর ১১টা ৪৫ মিনিটে সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। পরে দুপুর ১টায় বেনাপোলের পর্যটন হোটেলের লবিতে একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন