১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল এবং এটাই আমাদের অস্তিত্ব ও পরিচয় উল্লেখ করে স্বাধীন বাংলাদেশের সাথে কোনো আপস হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার নান্দিয়াপাড়া বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই সভার আয়োজন করা হয়। নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ. এম. মাহবুব উদ্দিন, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আরিফ হোসেন, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোতাহের হোসেন মানিক, সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক দিদার হোসেন এবং সদস্য সচিব কুতুব উদ্দিন সানি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, স্বাধীনতার চেতনা সংরক্ষণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল এবং এটাই আমাদের অস্তিত্ব ও পরিচয় উল্লেখ করে স্বাধীন বাংলাদেশের সাথে কোনো আপস হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার নান্দিয়াপাড়া বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই সভার আয়োজন করা হয়। নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ. এম. মাহবুব উদ্দিন, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আরিফ হোসেন, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোতাহের হোসেন মানিক, সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক দিদার হোসেন এবং সদস্য সচিব কুতুব উদ্দিন সানি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, স্বাধীনতার চেতনা সংরক্ষণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন