বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের নিজ এলাকা নোয়াখালীর বিভিন্ন ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা করাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে মাইজদী। সোমবার দুপুরে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং টায়ারে আগুন দেওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে 'পকেট কমিটি' গঠনের অভিযোগ এনে তাঁকে জেলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন।
বিক্ষোভকারীরা সোমবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদের সামনে থেকে একটি বিশাল মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে টাউন হল মোড়ে অবস্থান নেয় এবং সেখানে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এর ফলে মাইজদীর প্রধান সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের কর্মীদের বাদ দিয়ে নাছির তাঁর ব্যক্তিগত অনুসারীদের দিয়ে এই বিতর্কিত কমিটি গঠন করেছেন।
সমাবেশে ছাত্রদল নেতারা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের অভিযোগ, নাছির মূলত আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান এবং তাঁর বাবা আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড মেম্বার ছিলেন। এখন তিনি আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে ছাত্রদলকে ধ্বংস করতে চাচ্ছেন বলে তাঁরা দাবি করেন। এই পরিস্থিতিতে কমিটি বিলুপ্ত না করলে ভবিষ্যতে হরতালসহ আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন স্থানীয় নেতারা।
তবে পকেট কমিটির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এনবিএস রাসেল। তিনি জানান, সবাইকে একসঙ্গে পদ দেওয়া সম্ভব নয় এবং সাংগঠনিক যোগ্যতার ভিত্তিতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি নিজের অতীত ত্যাগের কথা উল্লেখ করে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এদিকে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বিক্ষোভের শেষ পর্যায়ে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণপদত্যাগের ঘোষণা আসে। জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ মোট ১০ জন শীর্ষ নেতা একযোগে পদত্যাগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়কসহ স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা এই 'পকেট কমিটি' বিলুপ্তিতে সরাসরি তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের নিজ এলাকা নোয়াখালীর বিভিন্ন ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা করাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে মাইজদী। সোমবার দুপুরে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং টায়ারে আগুন দেওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে 'পকেট কমিটি' গঠনের অভিযোগ এনে তাঁকে জেলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন।
বিক্ষোভকারীরা সোমবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদের সামনে থেকে একটি বিশাল মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে টাউন হল মোড়ে অবস্থান নেয় এবং সেখানে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এর ফলে মাইজদীর প্রধান সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের কর্মীদের বাদ দিয়ে নাছির তাঁর ব্যক্তিগত অনুসারীদের দিয়ে এই বিতর্কিত কমিটি গঠন করেছেন।
সমাবেশে ছাত্রদল নেতারা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের অভিযোগ, নাছির মূলত আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান এবং তাঁর বাবা আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড মেম্বার ছিলেন। এখন তিনি আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে ছাত্রদলকে ধ্বংস করতে চাচ্ছেন বলে তাঁরা দাবি করেন। এই পরিস্থিতিতে কমিটি বিলুপ্ত না করলে ভবিষ্যতে হরতালসহ আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন স্থানীয় নেতারা।
তবে পকেট কমিটির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এনবিএস রাসেল। তিনি জানান, সবাইকে একসঙ্গে পদ দেওয়া সম্ভব নয় এবং সাংগঠনিক যোগ্যতার ভিত্তিতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি নিজের অতীত ত্যাগের কথা উল্লেখ করে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এদিকে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বিক্ষোভের শেষ পর্যায়ে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণপদত্যাগের ঘোষণা আসে। জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ মোট ১০ জন শীর্ষ নেতা একযোগে পদত্যাগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়কসহ স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা এই 'পকেট কমিটি' বিলুপ্তিতে সরাসরি তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন