পরিসংখ্যান নির্ভর ও নাম সর্বস্ব বাজেট দেখতে চান না বলে জানিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শুক্রবার (৫ জুন) দলীয় কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ টু পয়েন্ট ও: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি’ শিরোনামে আয়োজিত এক ‘ছায়া বাজেট প্রকাশ’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, দেশের কেমন একটি বাজেট হওয়া উচিত সেই লক্ষ্য থেকে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, ভোক্তা এবং সার্ভিস প্রডিউসার ও সার্ভিস কনজুমারসহ ব্যাংক, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও এফবিসিসিআই-এর মতো বড় বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্টেকহোল্ডার, সুধীজন ও পলিসি মেকারদের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করে তাদের ছায়া বাজেটটি তৈরি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে বাজেটটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, তারা যে সমতাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন অর্থনীতির অঙ্গীকার করেছেন, এর মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হবে এবং একই সাথে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের অঙ্গীকারের সম্পর্কও নিশ্চিত করা হবে। এই বাজেটে ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের পাশাপাশি উৎপাদকদের স্বার্থ রক্ষা করার বিষয়েও তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।
ট্যাক্স বা কর প্রদানের বিষয়ে তিনি বলেন, ট্যাক্স হচ্ছে রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের একটি কমিটমেন্ট এবং এই অর্থের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়। তাই তারা জনগণকে কর দিতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি করের টাকা যাতে জনবান্ধব উপায়ে সঠিক নজরদারিতে ব্যবহৃত হয় তা নিশ্চিত করবেন। প্রকাশিত এই বাজেটের প্রত্যেকটি পয়সার সুফল যেন গালভরা সংখ্যার মারপ্যাঁচে আটকে না থেকে সরাসরি জনগণের কাজে লাগে, তেমন বাজেটই তাদের ছায়া বাজেট কমিটি উপস্থাপন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
পরিসংখ্যান নির্ভর ও নাম সর্বস্ব বাজেট দেখতে চান না বলে জানিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শুক্রবার (৫ জুন) দলীয় কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ টু পয়েন্ট ও: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি’ শিরোনামে আয়োজিত এক ‘ছায়া বাজেট প্রকাশ’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, দেশের কেমন একটি বাজেট হওয়া উচিত সেই লক্ষ্য থেকে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, ভোক্তা এবং সার্ভিস প্রডিউসার ও সার্ভিস কনজুমারসহ ব্যাংক, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও এফবিসিসিআই-এর মতো বড় বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্টেকহোল্ডার, সুধীজন ও পলিসি মেকারদের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করে তাদের ছায়া বাজেটটি তৈরি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে বাজেটটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, তারা যে সমতাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন অর্থনীতির অঙ্গীকার করেছেন, এর মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হবে এবং একই সাথে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের অঙ্গীকারের সম্পর্কও নিশ্চিত করা হবে। এই বাজেটে ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের পাশাপাশি উৎপাদকদের স্বার্থ রক্ষা করার বিষয়েও তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।
ট্যাক্স বা কর প্রদানের বিষয়ে তিনি বলেন, ট্যাক্স হচ্ছে রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের একটি কমিটমেন্ট এবং এই অর্থের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়। তাই তারা জনগণকে কর দিতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি করের টাকা যাতে জনবান্ধব উপায়ে সঠিক নজরদারিতে ব্যবহৃত হয় তা নিশ্চিত করবেন। প্রকাশিত এই বাজেটের প্রত্যেকটি পয়সার সুফল যেন গালভরা সংখ্যার মারপ্যাঁচে আটকে না থেকে সরাসরি জনগণের কাজে লাগে, তেমন বাজেটই তাদের ছায়া বাজেট কমিটি উপস্থাপন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন