সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে বাসচাপায় বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে ১৬ বছর বয়সী মেয়ে তামান্না খাতুনেরও মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে কলেজছাত্রী তামান্না মারা যান। এ নিয়ে ওই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ জনে।
নিহত অন্য তিনজন হলেন বেলকুচি উপজেলার আজুগড়া হিজলতলা এলাকার মো. মোতালেব সরকার (৪০), তার স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৩৫) এবং জামতৈল গ্রামের অটোভ্যান চালক মো. নুরু (৪৫)। গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর আঞ্চলিক সড়কের মেঘুল্লা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাফর ইমার জানান, মেঘুল্লা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের এক্সেল ভেঙে সেটি বিকল হয়ে পড়েছিল। এ সময় ঢাকা থেকে এনায়েতপুরগামী ‘ঢাকা এক্সপ্রেস পরিবহণ’-এর একটি দ্রুতগামী বাস বিকল ভ্যানটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই চালক নুরু মারা যান। পরে গুরুতর আহত তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সকালে বাবা মোতালেব ও মা ফজিলা মারা যান এবং সর্বশেষ বিকালে মেয়ে তামান্নাও শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে বাসচাপায় বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে ১৬ বছর বয়সী মেয়ে তামান্না খাতুনেরও মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে কলেজছাত্রী তামান্না মারা যান। এ নিয়ে ওই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ জনে।
নিহত অন্য তিনজন হলেন বেলকুচি উপজেলার আজুগড়া হিজলতলা এলাকার মো. মোতালেব সরকার (৪০), তার স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৩৫) এবং জামতৈল গ্রামের অটোভ্যান চালক মো. নুরু (৪৫)। গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর আঞ্চলিক সড়কের মেঘুল্লা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাফর ইমার জানান, মেঘুল্লা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের এক্সেল ভেঙে সেটি বিকল হয়ে পড়েছিল। এ সময় ঢাকা থেকে এনায়েতপুরগামী ‘ঢাকা এক্সপ্রেস পরিবহণ’-এর একটি দ্রুতগামী বাস বিকল ভ্যানটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই চালক নুরু মারা যান। পরে গুরুতর আহত তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সকালে বাবা মোতালেব ও মা ফজিলা মারা যান এবং সর্বশেষ বিকালে মেয়ে তামান্নাও শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন