সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মো. আলমাছ সরদার ফরিদ (২৪) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) রাতে ফরিদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ। নিহত ফরিদ ওই উপজেলার দক্ষিণ বালিথুবা গ্রামের বাসিন্দা এবং ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আবু তালেব সরদারের ছোট ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় প্রায় ২ বছর ৯ মাস আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদ। সেখানে তিনি একটি কফি হাউজে শ্রমিকের কাজ করতেন। গত ২৪ মার্চ থেকে পরিবারের সঙ্গে তাঁর সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও খোঁজাখুঁজির পর বুধবার বিকেলে ফরিদের বাবার মোবাইলে সৌদি আরব থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর জানানো হয়। ফোনে জানানো হয় যে, গত ২৪ মার্চ রিয়াদেই এক সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ছেলের অকাল মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন বাবা আবু তালেব সরদার। তিনি জানান, দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিল ফরিদ। অনেক স্বপ্ন আর আশা নিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলেন যাতে সে পরিবারের হাল ধরতে পারে। কিন্তু এক নিমিষেই সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেল। ফরিদের এই মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে শোকসন্তপ্ত পরিবার।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মো. আলমাছ সরদার ফরিদ (২৪) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) রাতে ফরিদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ। নিহত ফরিদ ওই উপজেলার দক্ষিণ বালিথুবা গ্রামের বাসিন্দা এবং ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আবু তালেব সরদারের ছোট ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় প্রায় ২ বছর ৯ মাস আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদ। সেখানে তিনি একটি কফি হাউজে শ্রমিকের কাজ করতেন। গত ২৪ মার্চ থেকে পরিবারের সঙ্গে তাঁর সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও খোঁজাখুঁজির পর বুধবার বিকেলে ফরিদের বাবার মোবাইলে সৌদি আরব থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর জানানো হয়। ফোনে জানানো হয় যে, গত ২৪ মার্চ রিয়াদেই এক সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ছেলের অকাল মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন বাবা আবু তালেব সরদার। তিনি জানান, দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিল ফরিদ। অনেক স্বপ্ন আর আশা নিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলেন যাতে সে পরিবারের হাল ধরতে পারে। কিন্তু এক নিমিষেই সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেল। ফরিদের এই মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে শোকসন্তপ্ত পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন