সরকারি দপ্তরে জনবল সংকট নিরসনে বড় ধরণের নিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, শূন্যপদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সংসদে উত্থাপিত তথ্যানুযায়ী, আগামী ৬ মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২৮৭৯টি পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া ১ বছরের মধ্যে ৪৪৫৯টি এবং ৫ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মোট শূন্যপদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। এর মধ্যে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডে ৬৮ হাজার ৮৮৪টি এবং ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি পদ খালি রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী সংসদে আরও বলেন, "স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে মোট ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে কাজ চলছে।" এই লক্ষ্যে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্যপদের তথ্য প্রেরণের জন্য ইতিমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে। স্ট্যাটিসটিক্স অব পাবলিক সার্ভেন্টস ২০২৪-এর হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে, যা দেশের বেকারত্ব নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি দপ্তরে জনবল সংকট নিরসনে বড় ধরণের নিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, শূন্যপদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সংসদে উত্থাপিত তথ্যানুযায়ী, আগামী ৬ মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২৮৭৯টি পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া ১ বছরের মধ্যে ৪৪৫৯টি এবং ৫ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মোট শূন্যপদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। এর মধ্যে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডে ৬৮ হাজার ৮৮৪টি এবং ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি পদ খালি রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী সংসদে আরও বলেন, "স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে মোট ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে কাজ চলছে।" এই লক্ষ্যে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্যপদের তথ্য প্রেরণের জন্য ইতিমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে। স্ট্যাটিসটিক্স অব পাবলিক সার্ভেন্টস ২০২৪-এর হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে, যা দেশের বেকারত্ব নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন