ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ওয়াশিংটনের একটি প্রতিনিধিদল আজ রোববার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। আগামী সপ্তাহে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও নিরাপত্তার স্বার্থে পাকিস্তান, ইরান বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনার সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
বিদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের আগমনকে কেন্দ্র করে ফেডারেল রাজধানী ইসলামাবাদ ও পার্শ্ববর্তী শহর রাওয়ালপিন্ডিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইসলামাবাদ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শহরের রেড জোন এবং বর্ধিত রেড জোন এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এছাড়া কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই দুই শহরে সব ধরনের গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যান চলাচল স্থগিত করেছে জেলা প্রশাসন।
বিদেশি প্রতিনিধিদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে এলিট কমান্ডো ও স্নাইপাররা অবস্থান নিয়েছেন এবং ডলফিন ফোর্সসহ কুইক রেসপন্স ইউনিটগুলো সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। স্পর্শকাতর স্থাপনা ও আবাসন এলাকায় নজরদারির জন্য ‘সেফ সিটি’র সিসিটিভি ক্যামেরাসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর ১০ ও ১১ এপ্রিল প্রথম দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া ভয়াবহ সংঘাতের পর পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের কূটনৈতিক তৎপরতায় এই আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়। ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হলেও মৌলিক বিষয়গুলোতে এখনো বড় দূরত্ব রয়ে গেছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনাকে ‘ফলপ্রসূ’ বললেও তেহরানকে যেকোনো ধরনের উস্কানি থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ওয়াশিংটনের একটি প্রতিনিধিদল আজ রোববার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। আগামী সপ্তাহে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও নিরাপত্তার স্বার্থে পাকিস্তান, ইরান বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনার সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
বিদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের আগমনকে কেন্দ্র করে ফেডারেল রাজধানী ইসলামাবাদ ও পার্শ্ববর্তী শহর রাওয়ালপিন্ডিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইসলামাবাদ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শহরের রেড জোন এবং বর্ধিত রেড জোন এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এছাড়া কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই দুই শহরে সব ধরনের গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যান চলাচল স্থগিত করেছে জেলা প্রশাসন।
বিদেশি প্রতিনিধিদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে এলিট কমান্ডো ও স্নাইপাররা অবস্থান নিয়েছেন এবং ডলফিন ফোর্সসহ কুইক রেসপন্স ইউনিটগুলো সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। স্পর্শকাতর স্থাপনা ও আবাসন এলাকায় নজরদারির জন্য ‘সেফ সিটি’র সিসিটিভি ক্যামেরাসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর ১০ ও ১১ এপ্রিল প্রথম দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া ভয়াবহ সংঘাতের পর পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের কূটনৈতিক তৎপরতায় এই আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়। ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হলেও মৌলিক বিষয়গুলোতে এখনো বড় দূরত্ব রয়ে গেছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনাকে ‘ফলপ্রসূ’ বললেও তেহরানকে যেকোনো ধরনের উস্কানি থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন