কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক ইজারাদারের ওপর হামলা এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী ইজারাদারের দাবি, তিনি বৈধভাবে দরপত্রের মাধ্যমে বাজারের ইজারা পেয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে ওই বিএনপি নেতা ও তার অনুসারীরা মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার (২২ এপ্রিল) দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একদল সন্ত্রাসী ইজারাদারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ইজারাদারসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার পর অভিযুক্ত নেতা ও তার সমর্থকরা বাজারের টোল আদায়ের অফিস দখল করে নেয় এবং ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। বর্তমানে বাজারটি ওই নেতার অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ইজারা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং তিনি কেবল পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছেন।
কটিয়াদী থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলের পক্ষ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক ইজারাদারের ওপর হামলা এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী ইজারাদারের দাবি, তিনি বৈধভাবে দরপত্রের মাধ্যমে বাজারের ইজারা পেয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে ওই বিএনপি নেতা ও তার অনুসারীরা মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার (২২ এপ্রিল) দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একদল সন্ত্রাসী ইজারাদারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ইজারাদারসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার পর অভিযুক্ত নেতা ও তার সমর্থকরা বাজারের টোল আদায়ের অফিস দখল করে নেয় এবং ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। বর্তমানে বাজারটি ওই নেতার অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ইজারা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং তিনি কেবল পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছেন।
কটিয়াদী থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলের পক্ষ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন