হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বর অথবা নতুন বছরের শুরুতে জনসাধারণের জন্য চালু হবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশকে যেকোনো মূল্যে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে আগামী বাজেট ঘোষণার পরপরই কক্সবাজার বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।
সরকার কক্সবাজার, সুন্দরবন ও কুয়াকাটাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। পর্যটকদের দার্জিলিংয়ের বিকল্প হিসেবে আকর্ষণীয় গন্তব্য উপহার দিতে এসব পর্যটন নগরীকে পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মডেলে উন্নয়নের কথা ভাবছে সরকার।
পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক করতে বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য উন্নত পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বৃদ্ধিতেও তা সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বর অথবা নতুন বছরের শুরুতে জনসাধারণের জন্য চালু হবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশকে যেকোনো মূল্যে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে আগামী বাজেট ঘোষণার পরপরই কক্সবাজার বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।
সরকার কক্সবাজার, সুন্দরবন ও কুয়াকাটাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। পর্যটকদের দার্জিলিংয়ের বিকল্প হিসেবে আকর্ষণীয় গন্তব্য উপহার দিতে এসব পর্যটন নগরীকে পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মডেলে উন্নয়নের কথা ভাবছে সরকার।
পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক করতে বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য উন্নত পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বৃদ্ধিতেও তা সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন