দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ১নং ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের সবকটিরই উৎপাদন কার্যক্রম এখন পুরোপুরি স্থবির। পর্যাপ্ত কয়লা মজুত থাকার পরও এই আকস্মিক বিপর্যয়ের কারণে দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলায় তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানিয়েছেন, কয়লার সঙ্গে পাথর চলে আসায় ১নং ইউনিটের বয়লার পাইপ ফেটে এই বিপত্তি ঘটেছে। বর্তমানে মেরামত কাজ চললেও উৎপাদন পুনরায় শুরু করতে আরও অন্তত ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের ২নং ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকে এবং ৩নং ইউনিটটি ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আগে থেকেই বন্ধ ছিল।
এদিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ উৎপাদিত কয়লা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। খনির কোল ইয়ার্ডে কয়লা রাখার সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন হলেও বর্তমানে মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টন। বিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লা ব্যবহার করতে না পারায় স্থান সংকুলানের অভাবে খনির স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জাতীয় গ্রিড থেকে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করা হলেও চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল। একদিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, অন্যদিকে ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ভোরের আলো থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ এখন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ১নং ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের সবকটিরই উৎপাদন কার্যক্রম এখন পুরোপুরি স্থবির। পর্যাপ্ত কয়লা মজুত থাকার পরও এই আকস্মিক বিপর্যয়ের কারণে দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলায় তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানিয়েছেন, কয়লার সঙ্গে পাথর চলে আসায় ১নং ইউনিটের বয়লার পাইপ ফেটে এই বিপত্তি ঘটেছে। বর্তমানে মেরামত কাজ চললেও উৎপাদন পুনরায় শুরু করতে আরও অন্তত ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের ২নং ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকে এবং ৩নং ইউনিটটি ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আগে থেকেই বন্ধ ছিল।
এদিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ উৎপাদিত কয়লা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। খনির কোল ইয়ার্ডে কয়লা রাখার সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন হলেও বর্তমানে মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টন। বিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লা ব্যবহার করতে না পারায় স্থান সংকুলানের অভাবে খনির স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জাতীয় গ্রিড থেকে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করা হলেও চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল। একদিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, অন্যদিকে ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ভোরের আলো থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ এখন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন