জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশের দিন ধার্য করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল আগামী ৫ মে এই আদেশের দিন নির্ধারণ করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় তাঁদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই মামলায় তাঁদের জড়ানো হয়েছে এবং প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনতে ব্যর্থ হয়েছে। এই যুক্তিতে তাঁরা আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান। তবে প্রসিকিউশন এই অব্যাহতির আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে এবং আইনজীবী আলী হায়দারের বিরুদ্ধে আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ তোলেন।
প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ট্রাইব্যুনালে জানান যে, আসামিপক্ষের আইনজীবী তাঁদের আবেদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে 'কথিত' বলে উল্লেখ করেছেন, যা নিয়ে প্রসিকিউশন আপত্তি জানিয়েছে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগের বিষয়ে আদেশের জন্য মে মাসের ৫ তারিখ চূড়ান্ত করেন। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল প্রসিকিউশন তাঁদের শুনানি শেষ করে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা তিনটি পৃথক অভিযোগ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছিলেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই চাষাড়া ও সাইনবোর্ড এলাকায় শিশু রিয়াসহ ছয়জনকে হত্যা, ২১ জুলাই ভুইগড় বাসস্ট্যান্ডে দুজনকে হত্যা এবং ৫ আগস্ট আরও দুজনকে হত্যার দায়ে এই ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। শামীম ওসমান ছাড়াও উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান এবং নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর ও রাজনৈতিক নেতা। চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশের দিন ধার্য করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল আগামী ৫ মে এই আদেশের দিন নির্ধারণ করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় তাঁদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই মামলায় তাঁদের জড়ানো হয়েছে এবং প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনতে ব্যর্থ হয়েছে। এই যুক্তিতে তাঁরা আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান। তবে প্রসিকিউশন এই অব্যাহতির আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে এবং আইনজীবী আলী হায়দারের বিরুদ্ধে আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ তোলেন।
প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ট্রাইব্যুনালে জানান যে, আসামিপক্ষের আইনজীবী তাঁদের আবেদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে 'কথিত' বলে উল্লেখ করেছেন, যা নিয়ে প্রসিকিউশন আপত্তি জানিয়েছে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগের বিষয়ে আদেশের জন্য মে মাসের ৫ তারিখ চূড়ান্ত করেন। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল প্রসিকিউশন তাঁদের শুনানি শেষ করে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা তিনটি পৃথক অভিযোগ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছিলেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই চাষাড়া ও সাইনবোর্ড এলাকায় শিশু রিয়াসহ ছয়জনকে হত্যা, ২১ জুলাই ভুইগড় বাসস্ট্যান্ডে দুজনকে হত্যা এবং ৫ আগস্ট আরও দুজনকে হত্যার দায়ে এই ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। শামীম ওসমান ছাড়াও উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান এবং নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর ও রাজনৈতিক নেতা। চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন