রাস্তার ইট খসে পড়লে নিজের অন্তর কাঁদার কথা জানিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদেরও জনগণের জানমালের প্রতি সমব্যথী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের সুফল ধরে রাখতে হলে দায়িত্বশীলদের অন্তরে সাধারণ মানুষের প্রতি দরদ থাকতে হবে।
সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের মাঝে ছাগল প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পশুপালনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের নতুন পথ সুগম হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. অমিত দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, থানা পুলিশ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের ধারাবাহিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের এই পর্যায়ে মোট ১৯৫টি প্যাকেজের মধ্যে এদিন ৬৫টি ছাগল প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেজে দুটি ছাগল, ওষুধ, সিমেন্টের খুঁটি এবং ৫০ কেজি পশুখাদ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সহায়তা কার্যক্রম অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
রাস্তার ইট খসে পড়লে নিজের অন্তর কাঁদার কথা জানিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদেরও জনগণের জানমালের প্রতি সমব্যথী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের সুফল ধরে রাখতে হলে দায়িত্বশীলদের অন্তরে সাধারণ মানুষের প্রতি দরদ থাকতে হবে।
সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের মাঝে ছাগল প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পশুপালনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের নতুন পথ সুগম হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. অমিত দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, থানা পুলিশ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের ধারাবাহিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের এই পর্যায়ে মোট ১৯৫টি প্যাকেজের মধ্যে এদিন ৬৫টি ছাগল প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেজে দুটি ছাগল, ওষুধ, সিমেন্টের খুঁটি এবং ৫০ কেজি পশুখাদ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সহায়তা কার্যক্রম অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন