বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত সরাসরি রেলপথ নির্মাণ করা হলে উত্তরাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি যাতায়াতের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার কমে আসবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে তিনি এই দাবি তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে এই সরাসরি সংযোগ না থাকায় উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের পাবনা, নাটোর ও নওগাঁ হয়ে ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য।
সংসদ সদস্য জানান, বর্তমানে ঢাকা থেকে বগুড়ার রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার, যা এই নতুন লাইন নির্মাণ করলে ২৮০ কিলোমিটারে নেমে আসবে। একইভাবে ঢাকা থেকে রংপুরের ৫৫০ কিলোমিটারের পথও ১২০ কিলোমিটার হ্রাস পাবে। এতে করে ট্রেনের জ্বালানি খরচ এবং যাত্রী ভাড়া—উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। সরাসরি এই রেল সংযোগের ফলে উত্তরবঙ্গের কৃষি পণ্য অতি সহজে এবং কম খরচে রাজধানী ঢাকায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইনের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে বলে শোনা গেলেও প্রকল্পটির মূল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে বলে সংসদে অভিযোগ করা হয়। উত্তরবঙ্গের মানুষ প্রায় ২০ বছর ধরে এই রেলপথের প্রতীক্ষায় থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন এখনো দেখা যায়নি। রংপুর বিভাগের সব জেলাসহ জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলার মানুষের ঢাকা যাতায়াতের প্রধান অন্তরায় হিসেবে এই অতিরিক্ত পথ ও সময়কে দায়ী করা হয়েছে।
আলোচনায় রংপুর-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনী এলাকা কাউনিয়া ও পীরগাছার রেল স্টেশন দুটির আধুনিকায়নের দাবি জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও এই সরাসরি রেললাইন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই রেলপথ নির্মিত হলে বগুড়া ও রংপুর বিভাগের মানুষের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং উত্তরাঞ্চলের বিদ্যমান বৈষম্য অনেকাংশে দূর হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত সরাসরি রেলপথ নির্মাণ করা হলে উত্তরাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি যাতায়াতের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার কমে আসবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে তিনি এই দাবি তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে এই সরাসরি সংযোগ না থাকায় উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের পাবনা, নাটোর ও নওগাঁ হয়ে ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য।
সংসদ সদস্য জানান, বর্তমানে ঢাকা থেকে বগুড়ার রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার, যা এই নতুন লাইন নির্মাণ করলে ২৮০ কিলোমিটারে নেমে আসবে। একইভাবে ঢাকা থেকে রংপুরের ৫৫০ কিলোমিটারের পথও ১২০ কিলোমিটার হ্রাস পাবে। এতে করে ট্রেনের জ্বালানি খরচ এবং যাত্রী ভাড়া—উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। সরাসরি এই রেল সংযোগের ফলে উত্তরবঙ্গের কৃষি পণ্য অতি সহজে এবং কম খরচে রাজধানী ঢাকায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইনের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে বলে শোনা গেলেও প্রকল্পটির মূল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে বলে সংসদে অভিযোগ করা হয়। উত্তরবঙ্গের মানুষ প্রায় ২০ বছর ধরে এই রেলপথের প্রতীক্ষায় থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন এখনো দেখা যায়নি। রংপুর বিভাগের সব জেলাসহ জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলার মানুষের ঢাকা যাতায়াতের প্রধান অন্তরায় হিসেবে এই অতিরিক্ত পথ ও সময়কে দায়ী করা হয়েছে।
আলোচনায় রংপুর-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনী এলাকা কাউনিয়া ও পীরগাছার রেল স্টেশন দুটির আধুনিকায়নের দাবি জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও এই সরাসরি রেললাইন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই রেলপথ নির্মিত হলে বগুড়া ও রংপুর বিভাগের মানুষের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং উত্তরাঞ্চলের বিদ্যমান বৈষম্য অনেকাংশে দূর হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন