নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোনাবিল হক এই আদেশ দেন। রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নিহত হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল ও ভাগনে শাহিন। এই মামলার অন্য এক আসামি সবুজ রানা ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২০ এপ্রিল (সোমবার) রাতে বাহাদুরপুর গ্রামে হাবিবুর রহমান (৩৫), তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা এবং তাঁদের দুই শিশুসন্তান পারভেজ (৯) ও সাদিয়াকে (৩) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানায়, নানা নমির উদ্দিনের কাছ থেকে জমি লিখে নেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। আসামি সবুজ রানা জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা মিলে প্রথমে হাবিবুরকে এবং পরে তাঁর স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চাঁদ আলী জানান, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত আছে কি না বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা উদঘাটন করা হবে। বর্তমানে মূল পরিকল্পনাকারী সবুজ রানা কারাগারে রয়েছেন এবং বাকি দুইজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোনাবিল হক এই আদেশ দেন। রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নিহত হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল ও ভাগনে শাহিন। এই মামলার অন্য এক আসামি সবুজ রানা ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২০ এপ্রিল (সোমবার) রাতে বাহাদুরপুর গ্রামে হাবিবুর রহমান (৩৫), তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা এবং তাঁদের দুই শিশুসন্তান পারভেজ (৯) ও সাদিয়াকে (৩) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানায়, নানা নমির উদ্দিনের কাছ থেকে জমি লিখে নেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। আসামি সবুজ রানা জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা মিলে প্রথমে হাবিবুরকে এবং পরে তাঁর স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চাঁদ আলী জানান, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত আছে কি না বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা উদঘাটন করা হবে। বর্তমানে মূল পরিকল্পনাকারী সবুজ রানা কারাগারে রয়েছেন এবং বাকি দুইজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন