কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা গুরুতর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ‘গুপ্ত শিবির’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে সদর দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে ক্যাম্পাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে মহানগর জামায়াতের আমির কাজি দ্বীন মোহাম্মদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ মামলা দায়ের করেনি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা গুরুতর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ‘গুপ্ত শিবির’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে সদর দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে ক্যাম্পাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে মহানগর জামায়াতের আমির কাজি দ্বীন মোহাম্মদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ মামলা দায়ের করেনি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন