ইসরায়েলি হামলায় বিপর্যস্ত গাজায় আশার আলো হয়ে সম্পন্ন হলো ৩০০ যুগলের এক বিশাল গণ বিয়ের অনুষ্ঠান। শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘গালান্ত নাইট ৩’ কর্মসূচির সহায়তায় মধ্য গাজায় এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়। মূলত যুদ্ধের কারণে যারা দীর্ঘ সময় ধরে অর্থাভাবে বিয়ে করতে পারছিলেন না, তাদের জন্যই আমিরাতের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, এই গণ বিয়েতে অংশ নিতে কয়েক হাজার বাসিন্দা আবেদন করেছিলেন। তাদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সবচেয়ে অস্বচ্ছল ৩০০ যুগলকে নির্বাচনের পর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিয়ের এই আনন্দঘন মুহূর্তে নবদম্পতিদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় নেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিসহ প্রায় ২০ হাজার মানুষ উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করেন।
কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আয়োজনে ফিলিস্তিনি সংস্কৃতিকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়া হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রত্যেক দম্পতিকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপহার এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—উভয় দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ গাজাবাসীর প্রতিকূল জীবনের মাঝে এক পশলা স্বস্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ইসরায়েলি হামলায় বিপর্যস্ত গাজায় আশার আলো হয়ে সম্পন্ন হলো ৩০০ যুগলের এক বিশাল গণ বিয়ের অনুষ্ঠান। শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘গালান্ত নাইট ৩’ কর্মসূচির সহায়তায় মধ্য গাজায় এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়। মূলত যুদ্ধের কারণে যারা দীর্ঘ সময় ধরে অর্থাভাবে বিয়ে করতে পারছিলেন না, তাদের জন্যই আমিরাতের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, এই গণ বিয়েতে অংশ নিতে কয়েক হাজার বাসিন্দা আবেদন করেছিলেন। তাদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সবচেয়ে অস্বচ্ছল ৩০০ যুগলকে নির্বাচনের পর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিয়ের এই আনন্দঘন মুহূর্তে নবদম্পতিদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় নেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিসহ প্রায় ২০ হাজার মানুষ উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করেন।
কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আয়োজনে ফিলিস্তিনি সংস্কৃতিকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়া হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রত্যেক দম্পতিকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপহার এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—উভয় দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ গাজাবাসীর প্রতিকূল জীবনের মাঝে এক পশলা স্বস্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন