১৯৮০ সালে সংঘটিত 'অপারেশন ঈগল ক্ল'-র ঐতিহাসিক ব্যর্থতার প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বশক্তিগুলোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার তাবাস মরুভূমিতে মার্কিন সেই ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বার্ষিকীতে তিনি বলেন, উচ্চতর শক্তির সামনে সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা কতটা, ওই ঘটনা তার বড় প্রমাণ। তিনি মনে করেন, এই পরাজয় থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত এবং তাবাস মরুভূমির সেই 'বালুর প্রভু' আজও এই ভূখণ্ডের মানুষের রক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।
অপারেশন ঈগল ক্ল ছিল তেহরানে জিম্মি ৫২ মার্কিন কূটনীতিককে উদ্ধারে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের নেওয়া এক উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা। ১৯৮০ সালের ২৪-২৫ এপ্রিল পরিচালিত সেই অভিযানে হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি এবং তাবাস মরুভূমির ধূলিঝড়ের কবলে পড়ে আটজন সামরিক কমান্ডার প্রাণ হারান। চরম বিশৃঙ্খলার মুখে কোনো কূটনীতিককে উদ্ধার না করেই যুক্তরাষ্ট্রকে পিছু হটতে হয়, যা মার্কিন সামরিক ইতিহাসে অন্যতম বড় ব্যর্থতা হিসেবে স্বীকৃত।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান সাম্প্রতিক সময়ে ইস্পাহানে মজুদকৃত ইউরেনিয়াম জব্দের ক্ষেত্রে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি কথিত প্রচেষ্টার ব্যর্থতাকে ‘আরেকটি তাবাসের পুনরাবৃত্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মেহর নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, ইরানের দাবি—১৯৮০ সালের পর চলতি বছরের শুরুতে ইস্পাহানে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার মার্কিন ও ইসরাইলি চেষ্টাও একইভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে।
ইরানি প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে, ঐতিহাসিক এই পরাজয়গুলো বিশ্বজুড়ে ‘অহংকারী শক্তিগুলোর’ জন্য বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটের মাঝে এই সতর্কবার্তা নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। উচ্চতর প্রযুক্তির চেয়েও ঐশী সহায়তা ও ভূ-প্রাকৃতিক সুরক্ষা ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেন তিনি।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
১৯৮০ সালে সংঘটিত 'অপারেশন ঈগল ক্ল'-র ঐতিহাসিক ব্যর্থতার প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বশক্তিগুলোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার তাবাস মরুভূমিতে মার্কিন সেই ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বার্ষিকীতে তিনি বলেন, উচ্চতর শক্তির সামনে সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা কতটা, ওই ঘটনা তার বড় প্রমাণ। তিনি মনে করেন, এই পরাজয় থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত এবং তাবাস মরুভূমির সেই 'বালুর প্রভু' আজও এই ভূখণ্ডের মানুষের রক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।
অপারেশন ঈগল ক্ল ছিল তেহরানে জিম্মি ৫২ মার্কিন কূটনীতিককে উদ্ধারে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের নেওয়া এক উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা। ১৯৮০ সালের ২৪-২৫ এপ্রিল পরিচালিত সেই অভিযানে হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি এবং তাবাস মরুভূমির ধূলিঝড়ের কবলে পড়ে আটজন সামরিক কমান্ডার প্রাণ হারান। চরম বিশৃঙ্খলার মুখে কোনো কূটনীতিককে উদ্ধার না করেই যুক্তরাষ্ট্রকে পিছু হটতে হয়, যা মার্কিন সামরিক ইতিহাসে অন্যতম বড় ব্যর্থতা হিসেবে স্বীকৃত।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান সাম্প্রতিক সময়ে ইস্পাহানে মজুদকৃত ইউরেনিয়াম জব্দের ক্ষেত্রে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি কথিত প্রচেষ্টার ব্যর্থতাকে ‘আরেকটি তাবাসের পুনরাবৃত্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মেহর নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, ইরানের দাবি—১৯৮০ সালের পর চলতি বছরের শুরুতে ইস্পাহানে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার মার্কিন ও ইসরাইলি চেষ্টাও একইভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে।
ইরানি প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে, ঐতিহাসিক এই পরাজয়গুলো বিশ্বজুড়ে ‘অহংকারী শক্তিগুলোর’ জন্য বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটের মাঝে এই সতর্কবার্তা নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। উচ্চতর প্রযুক্তির চেয়েও ঐশী সহায়তা ও ভূ-প্রাকৃতিক সুরক্ষা ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন