গাজীপুরের টঙ্গীর কেরানীরটেক মাদক বস্তিতে মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। বুধবার রাত ১১টার দিকে ঘটা এই ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় এবং ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে। আটকদের মধ্যে স্থানীয় যুবদল কর্মী শাহীন আহমেদ রিজভী ও তাঁর স্ত্রী রয়েছেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি বিভাগের একটি যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমতলী এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি রুনা আক্তারের বাসায় অভিযানে যায়। এ সময় রুনা আক্তার ও তাঁর সহযোগীরা চিৎকার করে লোক জড়ো করে পুলিশের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম, এএসআই নুরে আলম ও নারী কনস্টেবল জাহানারাকে পিটিয়ে জখম করে।
সরকারি কাজে বাধা ও হামলার মুখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে মাদক কারবারিরা পিছু হটতে শুরু করে। এ সময় ধাওয়া করে শাহীন, সোহেল, রায়হানসহ ৭ জনকে আটক করা হয়, তবে মূল অভিযুক্ত রুনা আক্তারসহ ১০-১২ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের টঙ্গী শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, মাদক কারবারিরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। পালিয়ে যাওয়া আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযান শেষে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীর কেরানীরটেক মাদক বস্তিতে মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। বুধবার রাত ১১টার দিকে ঘটা এই ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় এবং ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে। আটকদের মধ্যে স্থানীয় যুবদল কর্মী শাহীন আহমেদ রিজভী ও তাঁর স্ত্রী রয়েছেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি বিভাগের একটি যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমতলী এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি রুনা আক্তারের বাসায় অভিযানে যায়। এ সময় রুনা আক্তার ও তাঁর সহযোগীরা চিৎকার করে লোক জড়ো করে পুলিশের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম, এএসআই নুরে আলম ও নারী কনস্টেবল জাহানারাকে পিটিয়ে জখম করে।
সরকারি কাজে বাধা ও হামলার মুখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে মাদক কারবারিরা পিছু হটতে শুরু করে। এ সময় ধাওয়া করে শাহীন, সোহেল, রায়হানসহ ৭ জনকে আটক করা হয়, তবে মূল অভিযুক্ত রুনা আক্তারসহ ১০-১২ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের টঙ্গী শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, মাদক কারবারিরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। পালিয়ে যাওয়া আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযান শেষে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন