নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আহসান শাহরুখের প্যারোলে মুক্তি না হওয়ায় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। বুধবার সকালে তাঁর বাবা আবুল বাশারের মৃত্যুর পর শেষবারের মতো বাবাকে দেখার জন্য লাশ নিয়ে জেলগেটে যেতে হয় স্বজনদের। সেখানেই বাবা ও ছেলের শেষ দেখা হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শাহরুখের পিতা আবুল বাশার মারা যান। চলতি মাসেই রাজনৈতিক মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন শাহরুখ। বাবার মৃত্যুর পর স্বজনরা প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গেলে দীর্ঘ সময় কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করলে জানানো হয়, প্যারোলে মুক্তি সম্ভব নয়, তবে জেলগেটে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হবে।
স্বজনদের অভিযোগ, জেলগেটে লাশ নিয়ে যাওয়ার পর সেখানেও মাত্র তিনজনকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। একটি লাশের খাট ধরার জন্য ন্যূনতম চারজন প্রয়োজন হলেও সেই মানবিক বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি বলে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উপমা ফারিসা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসক বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসক অফিসে না থাকায় বিষয়টি তাঁকে জানানো হলে তিনি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলগেটে দেখা করার সিদ্ধান্ত দেন। সেই অনুযায়ী স্বজনদের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আহসান শাহরুখের প্যারোলে মুক্তি না হওয়ায় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। বুধবার সকালে তাঁর বাবা আবুল বাশারের মৃত্যুর পর শেষবারের মতো বাবাকে দেখার জন্য লাশ নিয়ে জেলগেটে যেতে হয় স্বজনদের। সেখানেই বাবা ও ছেলের শেষ দেখা হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শাহরুখের পিতা আবুল বাশার মারা যান। চলতি মাসেই রাজনৈতিক মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন শাহরুখ। বাবার মৃত্যুর পর স্বজনরা প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গেলে দীর্ঘ সময় কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করলে জানানো হয়, প্যারোলে মুক্তি সম্ভব নয়, তবে জেলগেটে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হবে।
স্বজনদের অভিযোগ, জেলগেটে লাশ নিয়ে যাওয়ার পর সেখানেও মাত্র তিনজনকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। একটি লাশের খাট ধরার জন্য ন্যূনতম চারজন প্রয়োজন হলেও সেই মানবিক বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি বলে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উপমা ফারিসা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসক বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসক অফিসে না থাকায় বিষয়টি তাঁকে জানানো হলে তিনি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলগেটে দেখা করার সিদ্ধান্ত দেন। সেই অনুযায়ী স্বজনদের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন