ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ছাত্রদল ও বিএনপির বিরুদ্ধে গুজব এবং অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগে তদন্ত ও ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছে শাখা ছাত্রদল। বেঁধে দেওয়া সময় পার হওয়ার পর তদন্তের অগ্রগতি জানতে উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। বুধবার বিকেলে ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্য কার্যালয়ে যান।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন জানান, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে সচেতন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজের মাধ্যমে বিরামহীন গুজব, অপতথ্য ও অশালীন আক্রমণ চালানো হচ্ছে। এই অপসংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতিপূর্বে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। উপাচার্য তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশ করা হবে এবং তার ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছাত্রদল নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি তদন্ত রিপোর্টের মাধ্যমে এই হেনস্তা ও অপতথ্যভিত্তিক উসকানির সুষ্ঠু সমাধান না আসে, তবে তারা গণতান্ত্রিক পন্থায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, ৫ আগস্ট পরবর্তী ‘মব সংস্কৃতি’ মোকাবিলা করে তারা বর্তমান অবস্থানে এসেছেন এবং ক্যাম্পাসে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ রক্ষায় বদ্ধপরিকর।
ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস জানান, দেশের সার্বিক গণতান্ত্রিক অগ্রগতির প্রতিফলন বিশ্ববিদ্যালয়েও থাকবে বলে তারা আশা করেন। তারা প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট না করে একটি সচেতন ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। প্রতিনিধি দলে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনসহ জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ছাত্রদল ও বিএনপির বিরুদ্ধে গুজব এবং অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগে তদন্ত ও ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছে শাখা ছাত্রদল। বেঁধে দেওয়া সময় পার হওয়ার পর তদন্তের অগ্রগতি জানতে উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। বুধবার বিকেলে ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্য কার্যালয়ে যান।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন জানান, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে সচেতন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজের মাধ্যমে বিরামহীন গুজব, অপতথ্য ও অশালীন আক্রমণ চালানো হচ্ছে। এই অপসংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতিপূর্বে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। উপাচার্য তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশ করা হবে এবং তার ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছাত্রদল নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি তদন্ত রিপোর্টের মাধ্যমে এই হেনস্তা ও অপতথ্যভিত্তিক উসকানির সুষ্ঠু সমাধান না আসে, তবে তারা গণতান্ত্রিক পন্থায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, ৫ আগস্ট পরবর্তী ‘মব সংস্কৃতি’ মোকাবিলা করে তারা বর্তমান অবস্থানে এসেছেন এবং ক্যাম্পাসে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ রক্ষায় বদ্ধপরিকর।
ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস জানান, দেশের সার্বিক গণতান্ত্রিক অগ্রগতির প্রতিফলন বিশ্ববিদ্যালয়েও থাকবে বলে তারা আশা করেন। তারা প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট না করে একটি সচেতন ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। প্রতিনিধি দলে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনসহ জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন