লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার শপথ নেওয়ার ঘটনায় ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমান আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত রোববার রাতে উপজেলার চর কালকিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী মোমবাতি জ্বালিয়ে এই শপথ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে সোমবার রাতে উপজেলা যুবলীগের সাবেক এক নেতার ফেসবুক পেজে শপথের ভিডিওটি প্রচার হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিডিও ফুটেজ দেখে চরকালকিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতিসহ বেশ কয়েকজনকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ইমান আলী চরমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হলেও শপথের ঘটনাটি ঘটেছে চর কালকিনি ইউনিয়নে। এই ভিন্ন ইউনিয়নে গ্রেফতারের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে দাবি করেছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ে গ্রেফতার না করে ঘটনার সঙ্গে প্রকৃত সম্পৃক্ততা যাচাই করা প্রয়োজন।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরিদুল আলম জানান, ভিডিওটি নজরে আসার পর একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মামলার পরিপ্রেক্ষিতে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা বিএনপি এ বিষয়ে বিস্তারিত অবগত নয় বলে জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার শপথ নেওয়ার ঘটনায় ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমান আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত রোববার রাতে উপজেলার চর কালকিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী মোমবাতি জ্বালিয়ে এই শপথ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে সোমবার রাতে উপজেলা যুবলীগের সাবেক এক নেতার ফেসবুক পেজে শপথের ভিডিওটি প্রচার হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিডিও ফুটেজ দেখে চরকালকিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতিসহ বেশ কয়েকজনকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ইমান আলী চরমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হলেও শপথের ঘটনাটি ঘটেছে চর কালকিনি ইউনিয়নে। এই ভিন্ন ইউনিয়নে গ্রেফতারের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে দাবি করেছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ে গ্রেফতার না করে ঘটনার সঙ্গে প্রকৃত সম্পৃক্ততা যাচাই করা প্রয়োজন।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরিদুল আলম জানান, ভিডিওটি নজরে আসার পর একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মামলার পরিপ্রেক্ষিতে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা বিএনপি এ বিষয়ে বিস্তারিত অবগত নয় বলে জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন