যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের দেওয়া তিন স্তরের নতুন শান্তি প্রস্তাবের একটি বিশেষ পর্যায় নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান এই প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের কাছে হস্তান্তর করে। প্রস্তাবের প্রথম স্তরে ইরান ও লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ এবং দ্বিতীয় স্তরে হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের কথা বলা হলেও, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার বিষয়টি রাখা হয়েছে তৃতীয় বা সর্বশেষ পর্যায়ে।
এই ধারাবাহিকতা নিয়েই মূলত আপত্তি তুলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, অন্য যেকোনো আলোচনার আগে ইরানকে তাদের পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। ট্রাম্পের মতে, আগে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত হবে, তারপরই বন্দর বা প্রণালি থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হবে না—এমন অনড় অবস্থানের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, ইরানের ওপর জারি করা বর্তমান নৌ-অবরোধ ও কঠোর প্রহরা দেশটিতে বোমাবর্ষণের চেয়েও বেশি কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে। তিনি জানান, এই অবরোধের ফলে ইরানের অবস্থা ক্রমশ ‘দমবন্ধকর’ হয়ে উঠছে এবং তারা সমঝোতায় আসতে বাধ্য হচ্ছে। পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে কোনো ঐকমত্য না হওয়া পর্যন্ত ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রহরার কোনো পরিবর্তন হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের দেওয়া তিন স্তরের নতুন শান্তি প্রস্তাবের একটি বিশেষ পর্যায় নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান এই প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের কাছে হস্তান্তর করে। প্রস্তাবের প্রথম স্তরে ইরান ও লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ এবং দ্বিতীয় স্তরে হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের কথা বলা হলেও, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার বিষয়টি রাখা হয়েছে তৃতীয় বা সর্বশেষ পর্যায়ে।
এই ধারাবাহিকতা নিয়েই মূলত আপত্তি তুলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, অন্য যেকোনো আলোচনার আগে ইরানকে তাদের পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। ট্রাম্পের মতে, আগে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত হবে, তারপরই বন্দর বা প্রণালি থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হবে না—এমন অনড় অবস্থানের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, ইরানের ওপর জারি করা বর্তমান নৌ-অবরোধ ও কঠোর প্রহরা দেশটিতে বোমাবর্ষণের চেয়েও বেশি কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে। তিনি জানান, এই অবরোধের ফলে ইরানের অবস্থা ক্রমশ ‘দমবন্ধকর’ হয়ে উঠছে এবং তারা সমঝোতায় আসতে বাধ্য হচ্ছে। পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে কোনো ঐকমত্য না হওয়া পর্যন্ত ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রহরার কোনো পরিবর্তন হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

আপনার মতামত লিখুন