জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন যে, সারা দেশে বর্তমানে সীমাহীন চাঁদাবাজি চলছে এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে প্রাণহানি ঘটছে।
বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন:
আইনশৃঙ্খলা ও শিক্ষা: তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বন্ধের দাবি তোলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, কোনো শিক্ষার্থী যেন সহিংসতার শিকার না হয়।
বাজেট ও গবেষণা: আগামী বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানান তিনি। গবেষণার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থকে তিনি অত্যন্ত অপ্রতুল বলে অভিহিত করলেও কৃষি খাতের গবেষকদের সাফল্যের প্রশংসা করেন।
দলীয়করণ: সরকারি চাকরির বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে মেধার পরিবর্তে দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর মেধাভিত্তিক সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি কেন বাস্তবায়িত হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
সমন্বয় ও সমাধান: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বিরোধী দলের যৌথ প্রচেষ্টার সুফল হিসেবে ফিলিং স্টেশনগুলোর দীর্ঘ লাইন কমে আসাকে ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। এছাড়া নিজ নির্বাচনী এলাকার ভাঙাচোরা রাস্তা, খাল দখল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পরিশেষে, ডা. শফিকুর রহমান বলেন যে তারা কেবল বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করতে নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশা তুলে ধরতেই সংসদে কথা বলছেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন যে, সারা দেশে বর্তমানে সীমাহীন চাঁদাবাজি চলছে এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে প্রাণহানি ঘটছে।
বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন:
আইনশৃঙ্খলা ও শিক্ষা: তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বন্ধের দাবি তোলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, কোনো শিক্ষার্থী যেন সহিংসতার শিকার না হয়।
বাজেট ও গবেষণা: আগামী বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানান তিনি। গবেষণার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থকে তিনি অত্যন্ত অপ্রতুল বলে অভিহিত করলেও কৃষি খাতের গবেষকদের সাফল্যের প্রশংসা করেন।
দলীয়করণ: সরকারি চাকরির বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে মেধার পরিবর্তে দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর মেধাভিত্তিক সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি কেন বাস্তবায়িত হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
সমন্বয় ও সমাধান: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বিরোধী দলের যৌথ প্রচেষ্টার সুফল হিসেবে ফিলিং স্টেশনগুলোর দীর্ঘ লাইন কমে আসাকে ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। এছাড়া নিজ নির্বাচনী এলাকার ভাঙাচোরা রাস্তা, খাল দখল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পরিশেষে, ডা. শফিকুর রহমান বলেন যে তারা কেবল বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করতে নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশা তুলে ধরতেই সংসদে কথা বলছেন।

আপনার মতামত লিখুন