মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার মিত্রদের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৬টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের সময় আটটি দেশে অবস্থিত এসব ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হামলার তীব্রতায় কিছু স্থাপনা বর্তমানে কার্যত ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের প্রধান লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং বিমান বহর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ইরানি বাহিনী অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে মার্কিন বাহিনীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং সীমিত সামরিক সরঞ্জামগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। বিশেষ করে রাডার সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পদগুলো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
পেন্টাগনের তথ্যমতে, ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতের কারণে এখন পর্যন্ত মার্কিন করদাতাদের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে কেবল মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর মেরামতেই খরচ হতে পারে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া কুয়েতের আলি আল সেলিম বিমান ঘাঁটি এবং কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটির রানওয়েসহ উত্তর ইরাকের একটি অস্ত্রভাণ্ডারেও বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মাত্রা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন থাকলেও অনেক সামরিক কৌশলবিদ মনে করছেন, রাডার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপন করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ কঠিন হবে। বর্তমানে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনা করে সেগুলো মেরামতের পরিকল্পনা করছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার মিত্রদের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৬টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের সময় আটটি দেশে অবস্থিত এসব ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হামলার তীব্রতায় কিছু স্থাপনা বর্তমানে কার্যত ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের প্রধান লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং বিমান বহর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ইরানি বাহিনী অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে মার্কিন বাহিনীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং সীমিত সামরিক সরঞ্জামগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। বিশেষ করে রাডার সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পদগুলো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
পেন্টাগনের তথ্যমতে, ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতের কারণে এখন পর্যন্ত মার্কিন করদাতাদের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে কেবল মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর মেরামতেই খরচ হতে পারে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া কুয়েতের আলি আল সেলিম বিমান ঘাঁটি এবং কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটির রানওয়েসহ উত্তর ইরাকের একটি অস্ত্রভাণ্ডারেও বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মাত্রা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন থাকলেও অনেক সামরিক কৌশলবিদ মনে করছেন, রাডার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপন করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ কঠিন হবে। বর্তমানে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনা করে সেগুলো মেরামতের পরিকল্পনা করছে।

আপনার মতামত লিখুন