জাপানের ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সি কিশোরদের প্রায় ৭ শতাংশ ‘প্যাথলজিক্যাল ব্যবহারকারী’ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। জাপানের কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টারের এক জরিপে দেখা গেছে, এই কিশোররা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এতটাই আসক্ত যে তারা কোনোভাবেই তাদের স্ক্রিন টাইম কমাতে পারছে না। দেশজুড়ে পরিচালিত এই জরিপ অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট বয়সি গোষ্ঠীর মধ্যেই আসক্তির হার সবচেয়ে বেশি।
গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, শিশুদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ফলে অপরাধ প্রবণতা ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এই সমস্যা মোকাবিলায় জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলিজ এজেন্সি যখন আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই এই উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এল। ইতিমধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া তরুণদের সুরক্ষায় ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
২০২৫ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে পরিচালিত এই জরিপে ১০ থেকে ৭৯ বছর বয়সি ৯,০০০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। যাদের মধ্যে ব্যবহারের সমস্যা দেখা গেছে, তাদের ৩০ শতাংশ কর্মদিবসে দৈনিক ৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় অনলাইনে কাটায়। সপ্তাহান্তে এই হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬২ শতাংশে।
কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টার অভিভাবকদের প্রতি সন্তানদের সামনে নিজেদের ‘ভালো উদাহরণ’ হিসেবে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগেই ব্যবহারের সময় ও স্থান নিয়ে সুনির্দিষ্ট নিয়ম নির্ধারণ এবং নিয়ম ভঙ্গের পরিণতির বিষয়ে পরিবারে স্পষ্ট গাইডলাইন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
জাপানের ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সি কিশোরদের প্রায় ৭ শতাংশ ‘প্যাথলজিক্যাল ব্যবহারকারী’ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। জাপানের কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টারের এক জরিপে দেখা গেছে, এই কিশোররা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এতটাই আসক্ত যে তারা কোনোভাবেই তাদের স্ক্রিন টাইম কমাতে পারছে না। দেশজুড়ে পরিচালিত এই জরিপ অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট বয়সি গোষ্ঠীর মধ্যেই আসক্তির হার সবচেয়ে বেশি।
গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, শিশুদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ফলে অপরাধ প্রবণতা ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এই সমস্যা মোকাবিলায় জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলিজ এজেন্সি যখন আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই এই উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এল। ইতিমধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া তরুণদের সুরক্ষায় ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
২০২৫ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে পরিচালিত এই জরিপে ১০ থেকে ৭৯ বছর বয়সি ৯,০০০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। যাদের মধ্যে ব্যবহারের সমস্যা দেখা গেছে, তাদের ৩০ শতাংশ কর্মদিবসে দৈনিক ৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় অনলাইনে কাটায়। সপ্তাহান্তে এই হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬২ শতাংশে।
কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টার অভিভাবকদের প্রতি সন্তানদের সামনে নিজেদের ‘ভালো উদাহরণ’ হিসেবে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগেই ব্যবহারের সময় ও স্থান নিয়ে সুনির্দিষ্ট নিয়ম নির্ধারণ এবং নিয়ম ভঙ্গের পরিণতির বিষয়ে পরিবারে স্পষ্ট গাইডলাইন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন