চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় একটি হেফজখানার দানবাক্স থেকে টাকা চুরির অপবাদে ৯ বছরের এক শিশুকে আটকে রেখে বর্বর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। লোহাগাড়ার চুনতি ইউনিয়নের বনপুকুর এলাকার মুহাম্মদিয়া হেফজখানায় শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতিত শিশুর নাম তানজিম এহসান তামিম, যে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তামিম জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার সময় হেফজখানার পরিচালক মুহাম্মদ সোহেল কয়েকজন ছাত্রের মাধ্যমে তাকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর হেফজখানার অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে মারধর করা হয়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানালে তার বাবা নেজাম উদ্দিন কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্ত সোহেল তাকে ধমক দেন।
গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, আহত শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে অভিযুক্ত সোহেলের পরিবার গতিরোধ করে বাধা প্রদান করে। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা জানান, অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে যাওয়ার সময় তাদের পথ আটকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেওয়া হয়। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকেও এই বাধা দেওয়ার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পরিচালক মুহাম্মদ সোহেল বা তার বাবা চুনতি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াছিন মাঝির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। লোহাগাড়া থানার ওসি আব্দুল জলিল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি; অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে এলাকায় এ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় একটি হেফজখানার দানবাক্স থেকে টাকা চুরির অপবাদে ৯ বছরের এক শিশুকে আটকে রেখে বর্বর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। লোহাগাড়ার চুনতি ইউনিয়নের বনপুকুর এলাকার মুহাম্মদিয়া হেফজখানায় শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতিত শিশুর নাম তানজিম এহসান তামিম, যে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তামিম জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার সময় হেফজখানার পরিচালক মুহাম্মদ সোহেল কয়েকজন ছাত্রের মাধ্যমে তাকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর হেফজখানার অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে মারধর করা হয়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানালে তার বাবা নেজাম উদ্দিন কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্ত সোহেল তাকে ধমক দেন।
গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, আহত শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে অভিযুক্ত সোহেলের পরিবার গতিরোধ করে বাধা প্রদান করে। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা জানান, অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে যাওয়ার সময় তাদের পথ আটকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেওয়া হয়। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকেও এই বাধা দেওয়ার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পরিচালক মুহাম্মদ সোহেল বা তার বাবা চুনতি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াছিন মাঝির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। লোহাগাড়া থানার ওসি আব্দুল জলিল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি; অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে এলাকায় এ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন