ভারতের রাজধানী দিল্লির বিবেক বিহার এলাকায় একটি চারতলা ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রোববার ভোরে লাগা এই আগুনে আরও ২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ভোর ৪টার দিকে ভবনটির দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয় এবং দ্রুত তা ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ১৪টি ফায়ার টেন্ডার পাঠানো হয়। দমকলকর্মীরা সেখানে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন এবং ভবনটি থেকে এক ডজনেরও বেশি মানুষকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তবে ততক্ষণে আগুন তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। শাহদারা জেলার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার রাজেন্দ্র প্রসাদ মিনা জানান, প্রায় দুই ঘণ্টার নিরলস চেষ্টার পর সকাল ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নেভানোর পর ভবনের ভেতরে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। আহতদের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে গুরু তেগ বাহাদুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ক্রাইম টিম উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো বুঝে নিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অগ্নিকাণ্ডের পর ভবনের অধিকাংশ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং ওপরের তলাগুলো থেকে দীর্ঘ সময় ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
ভারতের রাজধানী দিল্লির বিবেক বিহার এলাকায় একটি চারতলা ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রোববার ভোরে লাগা এই আগুনে আরও ২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ভোর ৪টার দিকে ভবনটির দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয় এবং দ্রুত তা ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ১৪টি ফায়ার টেন্ডার পাঠানো হয়। দমকলকর্মীরা সেখানে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন এবং ভবনটি থেকে এক ডজনেরও বেশি মানুষকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তবে ততক্ষণে আগুন তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। শাহদারা জেলার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার রাজেন্দ্র প্রসাদ মিনা জানান, প্রায় দুই ঘণ্টার নিরলস চেষ্টার পর সকাল ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নেভানোর পর ভবনের ভেতরে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। আহতদের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে গুরু তেগ বাহাদুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ক্রাইম টিম উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো বুঝে নিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অগ্নিকাণ্ডের পর ভবনের অধিকাংশ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং ওপরের তলাগুলো থেকে দীর্ঘ সময় ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন