ঢাকা নিউজ

সাভারে চালক হত্যা: ২০ বছর পর দুই জনের যাবজ্জীবন



সাভারে চালক হত্যা: ২০ বছর পর দুই জনের যাবজ্জীবন
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকার সাভারে ২০ বছর আগে এক ট্রলার চালককে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. আ. মান্নান এবং মো. চান মিয়া ওরফে মারুফ। রোববার ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৭ম আদালতের বিচারক মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ২৬ জুলাই সাভারের আমিনবাজার এলাকার ট্রলার চালক মর্তুজা আলী ডিজেল কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হন এবং চার দিন পর হাওর থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে উঠে আসে যে, ঘটনার দিন আসামি মান্নান ও চান মিয়া নিহতের ট্রলারটি ভাড়া করে নিয়ে গিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেন। পরবর্তীতে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে নিহতের ট্রলারটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

বিচার চলাকালে আদালত মোট ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে এই রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি চান মিয়া পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য আসামি মান্নান বিচারের শুরু থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার সম্পন্ন হলো।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


সাভারে চালক হত্যা: ২০ বছর পর দুই জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

ঢাকার সাভারে ২০ বছর আগে এক ট্রলার চালককে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. আ. মান্নান এবং মো. চান মিয়া ওরফে মারুফ। রোববার ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৭ম আদালতের বিচারক মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ২৬ জুলাই সাভারের আমিনবাজার এলাকার ট্রলার চালক মর্তুজা আলী ডিজেল কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হন এবং চার দিন পর হাওর থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে উঠে আসে যে, ঘটনার দিন আসামি মান্নান ও চান মিয়া নিহতের ট্রলারটি ভাড়া করে নিয়ে গিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেন। পরবর্তীতে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে নিহতের ট্রলারটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

বিচার চলাকালে আদালত মোট ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে এই রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি চান মিয়া পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য আসামি মান্নান বিচারের শুরু থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার সম্পন্ন হলো।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ