জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন যে, সরকারের অনেক আমলা বর্তমানে বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। রোববার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, অনেক আমলা সরকারি পদের প্রভাব খাটিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বিভিন্ন কোম্পানির ব্যক্তিগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। এমনকি অবসরের পর এসব আমলাদের সেই সব কোম্পানিতে উচ্চপদে যোগ দিতে দেখা যায়।
হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, আমলাদের এই স্বার্থান্বেষী তৎপরতা সরকারকে জনগণের মূল আকাঙ্ক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এলএনজি বা ডিজেল আমদানির ক্ষেত্রে আমলারা সরকারকে এমনভাবে প্রভাবিত করেন যাতে নির্দিষ্ট কোম্পানিগুলো লাভবান হয়। অথচ রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার, যেমন বিচার বিভাগ বা আমলাতন্ত্রের পুনর্গঠনের কাজগুলো থেকে সরকার বর্তমানে অনেক দূরে সরে গেছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি ভারত ও পাকিস্তানের উদাহরণ টেনে বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকে তাদের জ্বালানি উৎসকে বৈচিত্র্যময় করতে পারলেও বাংলাদেশ আমদানিনির্ভরতা থেকে বের হতে পারছে না। গত ১৫ বছরে দেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংগ্রহের কোনো কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। একের পর এক পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি হলেও সঠিক সোর্সিং না থাকায় দেশে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে জ্বালানি সংকট প্রকট হচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এই আমদানিনির্ভরতা এবং পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি বছর গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন যে, সরকারের অনেক আমলা বর্তমানে বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। রোববার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, অনেক আমলা সরকারি পদের প্রভাব খাটিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বিভিন্ন কোম্পানির ব্যক্তিগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। এমনকি অবসরের পর এসব আমলাদের সেই সব কোম্পানিতে উচ্চপদে যোগ দিতে দেখা যায়।
হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, আমলাদের এই স্বার্থান্বেষী তৎপরতা সরকারকে জনগণের মূল আকাঙ্ক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এলএনজি বা ডিজেল আমদানির ক্ষেত্রে আমলারা সরকারকে এমনভাবে প্রভাবিত করেন যাতে নির্দিষ্ট কোম্পানিগুলো লাভবান হয়। অথচ রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার, যেমন বিচার বিভাগ বা আমলাতন্ত্রের পুনর্গঠনের কাজগুলো থেকে সরকার বর্তমানে অনেক দূরে সরে গেছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি ভারত ও পাকিস্তানের উদাহরণ টেনে বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকে তাদের জ্বালানি উৎসকে বৈচিত্র্যময় করতে পারলেও বাংলাদেশ আমদানিনির্ভরতা থেকে বের হতে পারছে না। গত ১৫ বছরে দেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংগ্রহের কোনো কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। একের পর এক পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি হলেও সঠিক সোর্সিং না থাকায় দেশে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে জ্বালানি সংকট প্রকট হচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এই আমদানিনির্ভরতা এবং পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি বছর গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন