ঢাকা নিউজ

অ্যাজমা রোগীর সুচিকিৎসায় ইনহেলার নিশ্চিত করার তাগিদ



অ্যাজমা রোগীর সুচিকিৎসায় ইনহেলার নিশ্চিত করার তাগিদ
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকায় আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি অ্যাজমা রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি'। বক্তারা জানান, অ্যাজমা একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, যার প্রধান মাধ্যম হলো ইনহেলার ব্যবহার।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণের ফলে বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা এবং রোগের তীব্রতা উভয়ই বাড়ছে। বিশেষ করে বাতাসে ক্ষতিকর ধূলিকণা ও ধোঁয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা প্রকট হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত চিকিৎসার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই বলে বিশেষজ্ঞরা মত দেন।

অনুষ্ঠানে বিএমআরসি-র পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর অ্যাজমা আক্রান্তদের শ্বাসকষ্টের ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, একজন সুস্থ মানুষ স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারলেও এই রোগীদের জন্য তা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। সেমিনারে অ্যারিস্টোফার্মার সহযোগিতায় অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত চিকিৎসকরা সবার জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সঠিক পদ্ধতিতে তা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


অ্যাজমা রোগীর সুচিকিৎসায় ইনহেলার নিশ্চিত করার তাগিদ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

বিশ্ব অ্যাজমা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকায় আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি অ্যাজমা রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— 'অ্যাজমা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করা জরুরি'। বক্তারা জানান, অ্যাজমা একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, যার প্রধান মাধ্যম হলো ইনহেলার ব্যবহার।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণের ফলে বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা এবং রোগের তীব্রতা উভয়ই বাড়ছে। বিশেষ করে বাতাসে ক্ষতিকর ধূলিকণা ও ধোঁয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা প্রকট হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত চিকিৎসার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই বলে বিশেষজ্ঞরা মত দেন।

অনুষ্ঠানে বিএমআরসি-র পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর অ্যাজমা আক্রান্তদের শ্বাসকষ্টের ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, একজন সুস্থ মানুষ স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারলেও এই রোগীদের জন্য তা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। সেমিনারে অ্যারিস্টোফার্মার সহযোগিতায় অক্সিজেন থেরাপি ও ইনহেলেশনাল টেকনিক বিষয়ক কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত চিকিৎসকরা সবার জন্য ইনহেলার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সঠিক পদ্ধতিতে তা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ