ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হাওড়াঞ্চলের কৃষকদের জন্য বিশেষ খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। রোববার লালমনিরহাটে এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আগামী ৬ মে থেকে সুনামগঞ্জ জেলা থেকে এই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকার ভিত্তিতে কার্ডের মাধ্যমে পরবর্তী তিন মাস প্রতি মাসে এই সহায়তা প্রদান করা হবে।
ত্রাণমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি অংশের বিশাল এলাকার ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছেন। এই বিপর্যয় মোকাবিলায় কৃষকদের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার নিশ্চয়তা দিয়েছে।
একই অনুষ্ঠানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যাকাতভিত্তিক জীবিকায়ন প্রকল্প ‘সম্বল’-এর এ বছরের কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়। মন্ত্রী জানান, হাওড় অঞ্চলের মানুষের দুর্দশা লাঘবে সরকার ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং নির্ধারিত সময়েই কৃষকদের হাতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে কিশোরগঞ্জসহ বন্যাকবলিত বিস্তীর্ণ এলাকার প্রান্তিক চাষিদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হাওড়াঞ্চলের কৃষকদের জন্য বিশেষ খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। রোববার লালমনিরহাটে এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আগামী ৬ মে থেকে সুনামগঞ্জ জেলা থেকে এই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকার ভিত্তিতে কার্ডের মাধ্যমে পরবর্তী তিন মাস প্রতি মাসে এই সহায়তা প্রদান করা হবে।
ত্রাণমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি অংশের বিশাল এলাকার ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছেন। এই বিপর্যয় মোকাবিলায় কৃষকদের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার নিশ্চয়তা দিয়েছে।
একই অনুষ্ঠানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যাকাতভিত্তিক জীবিকায়ন প্রকল্প ‘সম্বল’-এর এ বছরের কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়। মন্ত্রী জানান, হাওড় অঞ্চলের মানুষের দুর্দশা লাঘবে সরকার ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং নির্ধারিত সময়েই কৃষকদের হাতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে কিশোরগঞ্জসহ বন্যাকবলিত বিস্তীর্ণ এলাকার প্রান্তিক চাষিদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন