ঢাকা নিউজ

জিলকদ মাসে যে আমলের দিকনির্দেশনা দিলেন কাবা শরিফের ইমাম



জিলকদ মাসে যে আমলের দিকনির্দেশনা দিলেন কাবা শরিফের ইমাম
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র জিলকদ মাস উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহর প্রতি বিশেষ আমল ও আত্মশুদ্ধির দিকনির্দেশনা দিয়েছেন পবিত্র কাবা শরিফের ইমাম ও খতিব শায়খ ওসামা বিন আব্দুল্লাহ আল খায়য়াত। মক্কার মসজিদে আল-হারামের জুমার খুতবায় তিনি জিলকদ মাসের মর্যাদা এবং এই সময়ে করণীয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

ইমাম মনে করিয়ে দেন যে, জিলকদ হলো ইসলামের চারটি 'হারাম' বা সম্মানিত মাসের অন্যতম। এই মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ এবং ইবাদতের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। খতিব বলেন, আল্লাহ নির্ধারিত সম্মানিত সময়গুলোর মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব। যেহেতু এটি হজের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, তাই এই সময়ে তওবা করা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।

জিলকদ মাসে খতিবের দেওয়া বিশেষ পরামর্শসমূহ:

  • বেশি বেশি নফল ইবাদত: নফল নামাজ ও রোজা রাখার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন।

  • দান-সদকা: এই বরকতময় মাসে দান-সদকার সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

  • জিকির ও কুরআন তিলাওয়াত: অন্তরকে সজীব রাখতে নিয়মিত আল্লাহর জিকির ও কুরআন তিলাওয়াতে মনোযোগী হওয়া।

  • গুনাহ থেকে সতর্কতা: যেহেতু এই মাসে নেক আমলের সওয়াব বেশি, তাই গুনাহের পরিণতিও এখানে গুরুতর। ফলে সব ধরনের অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকা এবং আত্মসংযম বজায় রাখা জরুরি।

খুতবার শেষাংশে তিনি বলেন, সৌভাগ্যবান তারাই যারা এই পবিত্র সময়ের মর্যাদা উপলব্ধি করে প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগায়। জিলকদ মাস কেবল ক্যালেন্ডারের একটি পাতা নয়, বরং এটি হোক প্রতিটি মুসলমানের জন্য আত্মজাগরণ ও আমল পরিবর্তনের এক সূচনা।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


জিলকদ মাসে যে আমলের দিকনির্দেশনা দিলেন কাবা শরিফের ইমাম

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

পবিত্র জিলকদ মাস উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহর প্রতি বিশেষ আমল ও আত্মশুদ্ধির দিকনির্দেশনা দিয়েছেন পবিত্র কাবা শরিফের ইমাম ও খতিব শায়খ ওসামা বিন আব্দুল্লাহ আল খায়য়াত। মক্কার মসজিদে আল-হারামের জুমার খুতবায় তিনি জিলকদ মাসের মর্যাদা এবং এই সময়ে করণীয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

ইমাম মনে করিয়ে দেন যে, জিলকদ হলো ইসলামের চারটি 'হারাম' বা সম্মানিত মাসের অন্যতম। এই মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ এবং ইবাদতের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। খতিব বলেন, আল্লাহ নির্ধারিত সম্মানিত সময়গুলোর মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব। যেহেতু এটি হজের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, তাই এই সময়ে তওবা করা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।

জিলকদ মাসে খতিবের দেওয়া বিশেষ পরামর্শসমূহ:

  • বেশি বেশি নফল ইবাদত: নফল নামাজ ও রোজা রাখার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন।

  • দান-সদকা: এই বরকতময় মাসে দান-সদকার সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

  • জিকির ও কুরআন তিলাওয়াত: অন্তরকে সজীব রাখতে নিয়মিত আল্লাহর জিকির ও কুরআন তিলাওয়াতে মনোযোগী হওয়া।

  • গুনাহ থেকে সতর্কতা: যেহেতু এই মাসে নেক আমলের সওয়াব বেশি, তাই গুনাহের পরিণতিও এখানে গুরুতর। ফলে সব ধরনের অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকা এবং আত্মসংযম বজায় রাখা জরুরি।

খুতবার শেষাংশে তিনি বলেন, সৌভাগ্যবান তারাই যারা এই পবিত্র সময়ের মর্যাদা উপলব্ধি করে প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগায়। জিলকদ মাস কেবল ক্যালেন্ডারের একটি পাতা নয়, বরং এটি হোক প্রতিটি মুসলমানের জন্য আত্মজাগরণ ও আমল পরিবর্তনের এক সূচনা।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ